• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline
রাজধানীতে বিএনপি দলীয় নেতা কর্মিদের তুঘলকি কাণ্ড! সমুদ্রপথে মালয়েশিয়াগামী বোটসহ ৭৬ জনকে উদ্ধার করল নৌবাহিনী, আটক ১১! বিশ্বনাথে বিনামূল্যে সাড়ে ৫ শতাধিক রোগীকে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিল ওয়ান পাউন্ড হসপিটাল! বারহাট্টায় নিবন্ধিত চিকিৎসক না হয়েও দাঁতের চিকিৎসা, একজনকে জরিমানা! কৃষক কার্ড’ বিতরণ কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ! গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেড এবং ওপিসিএ’র উদ্যোগে কক্সবাজারে আয়োজিত হল গোলটেবিল বৈঠক: সংযুক্ত, সমন্বিত ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ! নাসিরনগরে ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ এর শুভ উদ্বোধন! হকার উচ্ছেদ নিয়ে রণক্ষেত্র মিরপুর! পীরগঞ্জে এমপিও জালিয়াতির অভিযোগঃ সহকারী শিক্ষকই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক!

সামরিক প্রশিক্ষণ ও সাংগঠনিক কাঠামোয় নিজস্ব ঐতিহ্যের প্রতিফলন: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নতুন ব্যাটালিয়ন গঠন।

Reporter Name
Update : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

​স্টাফ রিপোর্টার|দৈনিক জনতারদেশ :
​বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের পরিধি প্রসারের লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে (বিএমএ) প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও গতিশীল করার অংশ হিসেবে ‘২য় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন’ নামে একটি নতুন ব্যাটালিয়ন গঠন করা হয়েছে।
​সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, যেকোনো স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিজস্ব সামরিক বাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো সাজানো এবং কোম্পানির নামকরণ সম্পূর্ণভাবেই তাদের নিজস্ব এখতিয়ারভুক্ত বিষয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই নতুন ব্যাটালিয়নের অধীনে চারটি নতুন কোম্পানির নামকরণ করেছে ইসলামের চার খলিফা—হযরত আবু বকর (রাঃ), হযরত উমর (রাঃ), হযরত উসমান (রাঃ) এবং হযরত আলী (রাঃ)-এর নামে।
​এর আগে বিএমএ-তে পাঁচটি বীরশ্রেষ্ঠ কোম্পানির (জাহাঙ্গীর, রউফ, হামিদ, মোস্তফা এবং নূর মোহাম্মদ) মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। নতুন এই নামকরণের বিষয়টি জাতীয় মূল্যবোধ, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় আবেগ এবং গৌরবময় ঐতিহ্যের একটি অনন্য ও সম্মানজনক প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
​কৌশলী বিশ্লেষণ:
আন্তর্জাতিক সামরিক রীতি অনুযায়ী, যেকোনো দেশের সেনাবাহিনী নিজস্ব ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের কৃষ্টি-কালচার অনুযায়ী তাদের সাংগঠনিক বিন্যাস ঠিক করে থাকে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের বাহিনীর অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে বাইরের কোনো রাষ্ট্রের গণমাধ্যম বা তৃতীয় পক্ষের মন্তব্য করার সুযোগ থাকা উচিত নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক গণমাধ্যমে এ ধরনের বিষয় নিয়ে যে অতিরঞ্জিত বা দ্বিমুখী আলোচনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তা মূলত পেশাদার সাংবাদিকতার শিষ্টাচার বহির্ভূত এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেন সচেতন মহল।
​নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি অত্যন্ত পেশাদার প্রতিষ্ঠান। তাদের প্রতিটি পদক্ষেপই জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে অন্য কোনো রাষ্ট্রের গণমাধ্যমের নেতিবাচক প্রচার বা অপব্যাখ্যা দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপের শামিল। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে দেশের সচেতন গণমাধ্যম এবং সুশীল সমাজকে সজাগ থাকা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category