রায়পুরা প্রতিনিধিঃ
নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানাধীন আমীরগঞ্জ ইউনিয়নের রহিমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল চন্দ্র দাস গত ৩০ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৭টা ৩০ মিনিটের দিকে নেসলে ডিস্ট্রিবিউটরের পণ্য নিয়ে নরসিংদী সদর থানাধীন আলোকবালী, খোদাদিলা মার্কেটে কাজের উদ্দেশ্যে যান।
কাজ শেষে ফেরার পথে ওই দিন দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটের পর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি।
অবশেষে গতকাল ১ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানাধীন সলিমগঞ্জ এলাকায় তাঁর ম#রদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
একজন নিরীহ কর্মজীবী মানুষের এমন মর্মান্তিক মৃ#ত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এই হ#ত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
দিন দিন কি আইনের শাসন হারিয়ে যাচ্ছে? মানুষের জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? একজন মানুষ কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর জীবিত ফিরে আসবেন না—এমন নির্মমতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
⚖️ আমরা এই হ#ত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই। শ্যামল চন্দ্র দাস হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।
গত ১০ দিনের ব্যবধানে আমিরগঞ্জের আড়িয়ল খাঁ নদ থেকেই দুটি ম*র*দে*হ উদ্ধার করা হয়।যার একজনের বাড়ি আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের খলা পাড়া গ্রাম অপর জন পরশু দিন উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির বাড়ি হাইর মারা ইউনিয়নের বীর কান্দি গ্রামে। কারা তাদের হ*ত্যা করেছে কেন করেছে পুলিশ এই রহস্য এখনো উদঘাটনে মাঠে কাজ করছে বলে রায়পুরা থানা সূত্রে জানা গেছে। আশ্চর্য্যের বিষয় হচ্ছে যারাই নিঁখোজ হচ্ছে তাদের প্রত্যেক কে খু*ন করে নদীতে ফেলে দেয়া হচ্ছে। শিশু,যুবক,তরুণ সবার ক্ষেত্রে একই দশা।
এই দৃশ্য দেখে নরসিংদির এক কর্মশালায় গতকাল ১ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের জিয়াউদ্দিন আহমেদ যথার্থই বলেছেন,সারা বাংলাদেশে যত খু/ন- মা/র্ডা/র হয় তার অর্ধেক হয় নরসিংদির রায়পুরাতে।