• রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
Headline
চিকিৎসক-টেকনিশিয়ান-জনবল সংকটে ধুঁকছে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স! কুয়াকাটা পর্যটন কার্নিভালে ৬ কিলোমিটার বীচ ম্যারাথন ও পিঠা উৎসব! মা -বাবা,ফেলে রেখে চলে যায়ঃ নিরাপদ আশ্রয়স্থল না থাকায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুটির পাশে দাড়ালেন,নরসিংদী  জেলা প্রশাসক! সেরা লেখক সম্মাননা পেলেন কবি ও শিশু সাহিত্যিক এনামূল হক পলাশ! পর্যটন শিল্প বিকাশে বাংলাদেশ কতটুকু এগিয়ে? দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পদোন্নতি পেতে যাচ্ছেন পুলিশের ৪৯২ কর্মকর্তা! আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পরিচালনার ব্যর্থতায় দেশে অপরাধ বেড়েছে–মোস্তফিজুর রহমান ইরান,চেয়ারম্যান বাংলাদেশ লেবার পার্টি!  কুমিল্লা সীমান্তে ৩৯ লাখ টাকা মূল্যমানের ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার! আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে আমাদের বই পড়ার অভ্যাস ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিড়ে মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে ‘ ডিজিটাল ডিটক্স’!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিড়ে মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে ‘ ডিজিটাল ডিটক্স’!

Reporter Name
Update : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

হেল্থ কেয়ার ডেস্ক |জনতার দেশঃ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিনিয়ত নোটিফিকেশন আর স্ক্রিনে চোখ রাখার ব্যস্ততা আধুনিক জীবনের নিয়মিত দৃশ্য। সম্প্রতি চিকিৎসকদের পরামর্শে সামাজিক মাধ্যম থেকে সাময়িক বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন।

চিকিৎসকদের মতে, শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি কাটাতে প্রযুক্তি থেকে এই ধরনের সাময়িক দূরত্ব বা ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সারাদিন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার, রিলস দেখা বা বারবার ফোন চেক করার অভ্যাসের কারণে মানুষের ঘুম, মনোযোগ ও মানসিক স্বাস্থ্যে ব্যাঘাত ঘটে। একটানা স্ক্রিনে চোখ রাখার ফলে মানসিক অবসাদ, দুশ্চিন্তা এবং ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।
ডিজিটাল ডিটক্স আসলে কী:
ডিজিটাল ডিটক্স বলতে প্রযুক্তিকে চিরতরে বর্জন করা বোঝায় না।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রযুক্তির ব্যবহারকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং স্মার্টফোন বা সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে মানসিক শান্তি বজায় রাখা।
ডিজিটাল ডিটক্সের প্রয়োজনীয়তা:
১। মানসিক চাপ হ্রাস: অতিরিক্ত তথ্যের প্রবাহ কমে যাওয়ায় মস্তিষ্ক বিশ্রামের সুযোগ পায়।
২। ঘুমের গুণগত মান বৃদ্ধি: ঘুমের আগে স্ক্রিন থেকে দূরে থাকলে শারীরিক ও মানসিকভাবে সহজে স্বস্তি পাওয়া যায়।
৩। কাজে মনোযোগ বাড়ায়: ঘন ঘন নোটিফিকেশন দেখার প্রবণতা কমলে কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে।
৪। ব্যক্তিগত সম্পর্ক জোরদার: স্ক্রিনের বাইরে পরিবার ও স্বজনদের সময় দিলে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পর্ক গভীর হয়।
৫। হীনম্মন্যতা দূরীকরণ: সামাজিক মাধ্যমে অন্যের জীবনের সঙ্গে নিজের তুলনা করার মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকা যায়।
সহজ উপায়ে অভ্যাসের পরিবর্তন:
বিশেষজ্ঞদের মতে, হঠাৎ করে সব প্রযুক্তি বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। কিছু ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে এটি শুরু করা সম্ভব:
১। দিনে অন্তত ৩০ থেকে ৬০ মিনিট মোবাইল বা স্ক্রিন থেকে দূরে থেকে বই পড়া বা হাঁটার অভ্যাস করা।
২। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা।
৩। ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে ফোন দূরে রাখা।
৪। স্ক্রিনে সময় না কাটিয়ে বাগান করা, ছবি আঁকা বা গান শোনার মতো ব্যক্তিগত শখে মন দেওয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category