স্টাফ রিপোর্টার| জনতার দেশঃ
সাংবাদিকদের নিয়ে ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর কুরুচিপূর্ণ, অবমাননাকর ও আক্রমণাত্মক মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাংবাদিকরা সমাজের অসংগতি, অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের কাজের সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ, পেশার প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য কিংবা হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা আশা করছি, সাংবাদিকদের নিয়ে আপনি আপনার মন্তব্যটি দ্রুত প্রত্যাহার করে নিবেন।
তার মন্তব্য প্রশ্নে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যেমন সবার অধিকার, তেমনি সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি। কোনো সাংবাদিকের প্রতিবেদন বা প্রশ্নে আপত্তি থাকলে তার জবাব তথ্য, যুক্তি ও শালীনতার মাধ্যমে দেওয়া উচিত, আক্রমণাত্মক ভাষায় নয়। মনে রাখা উচিত, ক্যামেরা বা ছবিতে যা ধরা পড়বে তাই সংবাদ- যা লুকানো যায় না। লুকানো হলে আপনারা তখন আরও কঠোর গলায় তুলোধুনো করতেন।
উল্লেখ্য, ড.এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী সাংবাদিকদের নিয়ে ‘কুত্তার মতো পিটানো দরকার’ এমন মন্তব্য করেছেন ১৯ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার রাতে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক ইস্যুতে তিনি এ মন্তব্য করেন। পরদিন, ২০ অক্টোবর ২০২৬, এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
আমরা মনে করি, দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্যে সংযম, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন থাকা প্রয়োজন। সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
সাংবাদিকদের মর্যাদাহানি নয়, পেশাগত স্বাধীনতা ও সম্মান নিশ্চিত হোক।
সূত্রঃ
# বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রেস নোট।