নয়ন হোসেন
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পাচজন গোলদাতার মধ্যে জার্মানির দুই কিংবদন্তি গৌরবের সাথে অবসর নিয়েও আজও সেরা স্থান ধরে রেখেছে।
লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনা)
বর্তমান বয়স -৩৮ বছর
গোলসংখ্যা,১৮ বিশ্বকাপ খেলছেন,৬ টি বিশ্বকাপের বছরসমূহ ২০০৬, ২০১০,২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের মোট গোলসংখ্যা।
মিরোস্লাভ ক্লোস (জার্মানি)
অবসরকালীন বয়স- ৩৬ বছর।গোলসংখ্যা,১৬ বিশ্বকাপ খেলেছেন= ৪ টি
বিশ্বকাপের বছরসমূহ ২০০২, ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপের মোট গোলসংখ্যা।
কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)
গোলসংখ্যা,১৬
বর্তমান বয়স,২৭ বছর খেলেছেন-৩ টি
বিশ্বকাপের বছরসমূহ ২০১৮, ২০২২ ও চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের মোট গোলসংখ্যা।
রোনালদো নাজারিও (ব্রাজিল)
গোলসংখ্যা= ১৫
অবসরকালীন বয়স- ২৯ বছর,বিশ্বকাপ খেলেছেন,৪
বছরসমূহ ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২ ও ২০০৬ বিশ্বকাপের মোট গোলসংখ্যা।
গের্ড মুলার (জার্মানি)
গোলসংখ্যা= ১৪
অবসরকালীন বয়স- ২৮ বছর,বিশ্বকাপ খেলেছেন= ২ টি বিশ্বকাপের বছরসমূহ ১৯৭০ ও ১৯৭৪ বিশ্বকাপের মোট গোলসংখ্যা।
জার্মানি ফুটবলের কিংবদন্তি গের্ড মুলার মাত্র ২ টি বিশ্বকাপ খেলে ১৪ টি গোল করেন যার রেকর্ড ভাংতে আর্জেন্টিনার ২০২৬ বিশ্বকাপসহ ৬ টি বিশ্বকাপ লেগেছে। অর্থাৎ ৫২ বছর।
কিছু জার্মানি সমর্থকরা উত্তরাধিকারসূত্রে সমর্থন করি না। তাই দলের অর্জন নিয়ে অহংকার করি না। কিন্তু যেই আর্জেন্টিনা জার্মানির অর্জন নিয়ে ব্রাজিল কে সেভেন আপ (7up) বলে ট্রোল করা ছাড়া নিজেদের কোন অর্জন ছিলো না। সেই আর্জেন্টিনার কিছু নাদান সমর্থক গতকাল মেসির ১৮ গোল হওয়ার যেভাবে জার্মানিকে হার্ট করে কথা বলেছে তা সত্যি অত্যান্ত দুঃখজনক। অথচ এই জার্মানি সমান গোল করতে আর্জেন্টিনার সময় আগামী একশো বছরেও হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আর কয়েক যুগ পার করলে হয়তো জার্মানির সমান বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার সুযোগ পেতে পারে। এরকম কিছু কথা ওঠেছে জার্মানি সমর্থকদের।
সামান্য অর্জনে যারা এত অহংকার করে তাদের নিজেদের অর্জনের প্রতি খেয়াল রাখা উচিত।
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পাচজন গোলদাতার মধ্যে জার্মানির দুই কিংবদন্তি গৌরবের সাথে অবসর নিয়েও আজও সেরা স্থান ধরে রেখেছে।