আন্তর্জাতিক ডেস্ক: আইআরজিসি এখন এমন এক পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুত মনে করছে, যেখানে অচিরেই সরাসরি সম্মুখ লড়াই শুরু হতে পারে। তাদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত স্থল অভিযানেও যেতে পারে। পরিস্থিতি দ্রুত এমন এক মোড়ে এগোচ্ছে, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি নতুন বাস্তবতায় প্রবেশ করতে পারে।
ইরানের জাতীয় টেলিভিশনে সাধারণ মানুষকে যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি ও বিভিন্ন ধরনের প্রতিরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র যেন ধীরে ধীরে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের আবহে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছে।
ট্রাম্পের শর্ত ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে জেনেশুনেই। তারা জানতো এর পরিণতি কী হতে পারে, তবুও পিছু হটার পথ বেছে নেয়নি। বরং নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে তারা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—চাপের মুখেও তারা সিদ্ধান্ত বদলাবে না।
এই পরিস্থিতির জন্য ইরান একদিন বা একবছর নয়, বরং দশকের পর দশক ধরে প্রস্তুতি নিয়েছে। সামরিক অবকাঠামো, আঞ্চলিক জোট, প্রতিরক্ষা কৌশল—সবকিছুই যেন ধীরে ধীরে তৈরি করা হয়েছে এমন এক সময়ের কথা মাথায় রেখে।
এখন অনেকের কাছেই মনে হচ্ছে, সেই প্রতীক্ষিত মুহূর্ত হয়তো সামনে চলে এসেছে। উত্তেজনা বাড়ছে, হিসাব বদলাচ্ছে, আর বিশ্ব তাকিয়ে আছে সম্ভাব্য এক গ্রাউন্ড ব্যাটেলের দিকে।
সূত্র:
# তেহরান রেডিও।
# আইআরজিসি,ইরান।
# আল-জাজিরা।
# স্টার বাংলা নিউজ।
# প্রখম আলো।