শফি আশরাফুল হখ :
আমরা অনেকেই ভাবছি, ই*জরাইলের অনেক পয়সা খরচ হলো ইরানের সাথে লাগতে যেয়ে।
আসলে ই*জরাইলের এক পয়সা খরচ হয়নি !
ওদের সকল যুদ্ধের খরচ এবং অস্ত্রের খরচ যোগায় ওদের বাবা আমেরিকা।
হয়তো ভাবছেন ,আমেরিকা নিজের পকেট থেকে বছরের পর বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার দেয়।
জ্বি না, সেটাও না।
আমেরিকাও এক পয়সা নিজ পকেট থেকে দেয় না।
ই*জরাইলের অস্ত্র থেকে শুরু করে ওদের ডাইপার কেনার পয়সা সৌদি , কাতার আর দুবাই দেয় ।
ট্রাম্প জেতার পর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল মিডিলিস্টে।
প্রতি চার বছর পর পর আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট যেই আসুক , সে এই তিন দেশে ভ্রমণ করে।
এবং এই তিন দেশ আগের চার বছরে তেল বেঁচে যে পয়সা কামায়, তার অর্ধেক আমেরিকা এসে খাজনা হিসেবে নিয়ে যায়।
তবে আমেরিকা এই টাকা পুরোটা একা খায় না।
সে এখান থেকে ৩০/৪০ % টাকা প্রতি বছর ই*জরাইলকে ডোনেশন হিসেবে দেয়।
মধ্য প্রাচ্যের এই তিন গান্ডু নামে মুসলিম রাষ্ট্র, সরাসরি ই*জরায়েলকে টাকা দিতে পারেনা ,শরম লাগে।
তাই এই টাকা আমেরিয়াকর প্রেসিডেন্টের মাধ্যমে চাঁদাবাজি দেখিয়ে ই*জরায়েলে পাঠায়।
খেয়াল করে দেখেন গত ৭০ বছর যাবৎ ই*জরায়েল ফি*লি*স্তিনে এবং অন্যান্য দেশে বো-মা মেরে যে ক্ষতি করে আসছে , এগুলো পুনরায় তৈরী করার জন্য ঐ তিন দেশ সবসময় টাকা দেয়।
ই*জরায়েল ৪/৫ বছর পর আবার বোমা মেরে সেগুলো সব ধ্বং*স করে। সৌদিরা আবার টাকা দিয়ে সেগুলো তৈরী করে দেয়।
ঐ তিন দেশ জীবনেও কোনদিন একটি গু-লি ছুড়েও প্রতিবাদ করেনা।
কিন্তু প্রত্যেকবার টাকা দেয় নতুন করে বিল্ডিং করার জন্য।
এভাবেই ঐ তিন ইতর নামে মুসলিম দেশ, ই*জরায়েলের যু*দ্ধের খরচ বহন করে আসছে।
এবার ট্রাম্প সৌদি থেকে ১ ট্রিলিয়ন , কাতার এবং দুবাই থেকে ১.৪ ট্রিলিয়ন করে ২.৮ ট্রিলিয়ন চাঁদাবাজির খাজনা নিয়েছে।
মোট ৩.৮ ট্রিলিয়ন তেল বেচার টাকা নিয়েগেছে ট্রাম্প।
এক ট্রিলিয়নে কয়টা শূন্য বসে এগুলো আমাদের মতো আমজনতার মাথায় ধরবে না।
কত টাকা হতে পারে তা হিসাব করে বের করা সম্ভব নয়।
চীন বাংলাদেশের মতো একটি দেশকে এক বিলিয়ন দিলেই খবরের কাগজে বিশাল হেডলাইন হয়।
সেখানে এবার ট্রাম্পের ই-হুদি মেয়ের জামাই জেরার্ডের কোম্পানিকে সৌদি ২ বিলিয়ন দিয়েছে ডোনেশন হিসেবে।
জেরার্ডের সেই কোম্পানি আবার একটি অ-স্ত্র কোম্পানিতে ইনভেস্ট করে, যেটার মালিক ই*জরাইলের ই*হুদী গোষ্ঠী।
মূলত সৌদি টাকায় ই*জরায়েল অ*স্ত্র বানায় , আর সেগুলো লিবিয়া , সিরিয়া , লেবাননের বিরুদ্ধে এবং এবার ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করলো।
তাহলে কিছু বুঝলেন , ই*জরাইলের সকল অ-স্ত্রের টাকা কোথা থেকে আসে !
বাংলাদেশের গরিব কৃষক গনি মিয়া সারা জীবন না খেয়ে তিল তিল করে টাকা জমায় শেষ জীবনে হজ্জ্ব করার জন্য।
এছাড়া তার মনে আর কোন ইচ্ছা কাজ করে না।
সে কোনদিন কক্সেসবাজারে হলিডে করতে যায়না, শহরে কোনদিন যায় না, চিকিৎসার প্রয়োজন না হলে।
পরিবার নিয়ে কোনদিন উপজেলাতে গিয়ে কোন রেস্টুরেন্টে ভালমন্দ খায় না, কারণ সে হজ্জের জন্য টাকা জমাচ্ছে।
তার সারা জীবনের কঠোর পরিশ্রমের কয়েক লক্ষ টাকা জমিয়ে শেষ পর্যন্ত গনি মিয়া সৌদি গিয়ে হজ্জ্ব করে ঠিকই।
কিন্তু সেই গনি মিয়া জানে না , তার হজ্জের খরচের ৬ লক্ষ টাকার মধ্য থেকে কিছু অংশ সৌদি সরকার আমেরিকাকে দিয়ে দেয় , এবং সেখান থেকে আমেরিকা সরাসরি টাকা অথবা অ*স্ত্র কিনে ই*জরায়েলকে দেয় মুসলিম দেশের উপর হা*মলা করে নিরীহ মুসলমানদের মা-রার জন্য।