• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
Headline
৫ সাংবাদিক হত্যার বিচার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছেন ময়মনসিংহ বিভাগ সাংবাদিকরা! পাইকগাছায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত! কালীগঞ্জে ডাকাতির ঘটনায় মালামাল উদ্ধারসহ -২ ডাকাত গ্রেফতার! সোনাম কাপুর ব্লেন্ডার্স প্রাইড এক্স এফডিসিআই ফ্যাশন ট্যুর ২০২৫-এর মঞ্চে র‍্যাম্পে হেঁটে পোশাকী ছবিতে কাকে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন? গুণগত মান বিচারে ভাল স্টরি হলে চলচ্চিত্র জগতে শাকিব খান ছাড়া ও সফলতা সম্ভব! কুয়াকাটায় হোটেল ইস্তানবুল’র নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিলো প্রশাসন! রাজধানীর পরিবেশ দূষণ চিত্র! কাহালুতে সাংবাদিকতার পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ! টাকা না পেলে ব্যবসায়ীদের হুমকি—নেপথ্যে কারা? মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অর্ধশত বাড়িঘরে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট! নরসিংদীতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব  মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরীর আগমনে  জেলা পুলিশ সুপার এর  শুভেচ্ছা জ্ঞাপন!

২২ বছর পর ‘নিল গেহরেলস সুইফট অবজারভেটরির’ ঐতিহাসিক কর্মকাণ্ড আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা!

Reporter Name
Update : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

সায়েন্স ডেস্ক|জনতার দেশঃ

মহাবিশ্বের শক্তিশালী ও বিধ্বংসী সব বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণে ‘নিল গেহরেলস সুইফট অবজারভেটরি’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। প্রাথমিকভাবে দুই বছরের অভিযানের জন্য এটি চালু করা হলেও মহাকাশযানটি প্রায় ২২ বছর ধরে একটানা চালু আছে। টেলিস্কোপটির কক্ষপথ নিম্নমুখী হওয়ায় বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে অভিযান বন্ধ হয়ে গেলেও এর সংগ্রহে থাকা তথ্যের বিশাল ভান্ডার আগামী কয়েক দশক ধরে নতুন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

প্রায় ২২ বছর পর নিল গেহরেলস সুইফট অবজারভেটরির ঐতিহাসিক কর্মকাণ্ড আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০০৪ সালের নভেম্বরে টেলিস্কোপটি উৎক্ষেপণ করা হয়। প্রাথমিকভাবে দুই বছরের অভিযানের পরিকল্পনা করা হলেও মহাকাশযানটি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সময় সফলভাবে কাজ করেছে। গভীর মহাকাশে ঘটা ক্ষণস্থায়ী কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী গামা–রে বিস্ফোরণ খুঁজে বের করা ছিল এই টেলিস্কোপের মূল কাজ। নিজস্ব দ্রুত প্রযুক্তির সাহায্যে সুইফট দ্রুত ক্যামেরা ঘুরিয়ে বিস্ফোরণ ধারণ করত টেলিস্কোপ।

একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে অন্যান্য টেলিস্কোপকে পরবর্তী পর্যবেক্ষণের বার্তা পাঠাত। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে নাসা সদর দপ্তরের অ্যাস্ট্রোফিজিকস বিভাগের পরিচালক শন ডোম্যাগাল–গোল্ডম্যান জানান, ‘দুই বছরের প্রাথমিক অভিযানের জন্য তৈরি হলেও সুইফট ১০ গুণের বেশি সময় কার্যকর থেকে দেশের জন্য অসাধারণ ও দীর্ঘস্থায়ী অবদান রেখেছে। এই দীর্ঘ সময়ে সুইফট আমাদের পরিবর্তনশীল মহাবিশ্ব বোঝার অগ্রগতিতে একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে। সুইফট আমাদের বহু তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পর্যবেক্ষণের একটি অসাধারণ আর্কাইভ তৈরি করে দিয়েছে। কর্মজীবনে টেলিস্কোপটি দুই হাজারের বেশি গামা–রে বিস্ফোরণ রেকর্ড করেছে। প্রায় ১ হাজারটি ৪০০টির বেশি সুপারনোভা পর্যবেক্ষণ করেছে।’
সাম্প্রতিক সময়ে বায়ুমণ্ডলের টান বা ড্র্যাগের কারণে স্যাটেলাইটটি স্থির রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। চলতি বছরের শুরুতে কক্ষপথ উঁচু করার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর মহাকাশযানটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। অক্টোবরের শেষের দিকে উচ্চতা ১৭১ মাইলের নিচে নেমে এলে বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণ প্রতিহত করা সম্ভব হয়নি। বাধ্য হয়ে টেলিস্কোপটি সেফ মোডে চলে যায় এবং গ্রাউন্ড অপারেটররা এটিকে চূড়ান্তভাবে বন্ধের নির্দেশ পাঠান। মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের মিশনের প্রধান গবেষক এস ব্র্যাডলি সেনকো বলেন, সুইফটকে গামা–রে বিস্ফোরণ অধ্যয়নের জন্য নিবেদিত একটি স্যাটেলাইট হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছিল। এই বিস্ফোরণগুলো এত দ্রুত আসত এবং চলে যেত যে বিশাল টেলিস্কোপ দিয়ে কোনোটি লক্ষ করা সম্ভব হতো না। সুইফট গামা–রে বিস্ফোরণ শনাক্ত করা, অবস্থান নির্ধারণ করা এবং অন্যান্য মানমন্দিরে সেই তথ্য পৌঁছানোর পর নিজের টেলিস্কোপ ঘুরিয়ে ছবি তুলতে পারত। বিস্ফোরণের আলো মিলিয়ে যাওয়ার আগেই তা করতে হতো। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে সুইফটের সময় লাগত প্রায় এক মিনিট। সুইফট আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে নিরাপদে পুনঃ প্রবেশ করবে।

তথ্যসূত্রঃ

# এনডিটিভি।

তথ্যঋণঃ

# প্রথম আলো।

ছবিঃ

# সংগৃহিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category