শিরোনাম :
আহমদ ছফার বিয়ে ও শামীম শিকদার প্রসঙ্গ। যত চাপই আসুক ব্রিটেন কে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে নেয়া যাবেনা —- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একটি শিক্ষনীয় গল্প এবং আমাদের মানবিক চরিত্র। ৯ম পদাতিক ডিভিশনের নিষ্ক্রিয়তা: ৪ আগস্টের রহস্য ঘিরে নতুন প্রশ্ন। আধুনিক বিকৃত ইসলাম এবং মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম। জন দুর্ভোগের সূতিকাগার নরসিংদী পৌরসভা হরমুজ প্রণালী কে ইস্যু করে তেহরানের নতুন পরিকল্পনা ৩ শ্রেণীতে বিভক্ত দেশ। কূয়াকাটায় ছাত্র হিযবুল্লাহর উদ্যোগে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তৈরির আশঙ্কা, নিজ নিজ শর্তে ই*রান- আ*ম্রিকা দু’পক্ষই ছাড় দিতে নারাজ, সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি কোন পক্ষ। কুরআনের অপব্যাখ্যার অজুহাতে কুষ্টিয়ায় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর কে পিটিয়ে হত্যার নেপথ্য কাহিনি।
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

জ্বলছে ই*জ*রা*ই*ল পুড়ছে আ*ম*রি*কার যুদ্ধ জাহাজ দুর্বার গতিতে হামলে পড়ছে ই*রা*ন পালাবার পথ খোঁজে পাচ্ছেনা শত্রু পক্ষ।

Reporter Name / ৩৬ Time View
Update : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

কাজী হালিমা আফরিন:
আপনারা জানেন যে হি *জ রা* ইল বিমান দিয়ে সর্বশেষ ইরানে যাদের হ ত‍্যা করেছে তারা হলেন, শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (IRGC) অধীনস্থ আধাসামরিক বাহিনী ‘বাসিজ’-এর কমান্ডার গোলামরেজা সোলাইমানি, ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী (Intelligence Minister) ইসমাইল খাতিব। ওনারা শহীদ হয়েছেন।

ইরানি এই নেতারা একেকজন বিশ্বসেরা সুপারস্টার। যেমন মেধাবী, জ্ঞানী, তেমনি নৈতিকতায় বলিষ্ঠ যোদ্ধা।

এত বিমান, বো*ম মেরেছে এসব নেতার সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাস্তায় হেঁটেছেন আল্লাহু আকবার বলে।

তো হয়েছে কী আলি লারিজানি যখন শহীদ হলেন তখন ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় তারা ‘চূড়ান্ত’ পাল্টা জবাব দেবে।

যেই কথা সেই কাজ। হি* জ* রা ই * ল তাদের গোটা জীবনে এমন হামলার শিকার নিজে সাক্ষী হয় নি। খামেনি শহীদ হলে যতটা আক্রমণ করেছিল ইরান সারা মধ‍্য প্রাচ‍্য ঘিরে সেটা বিশ্বের মানুষ দেখেছে। এবার প্রভাবশালী লারিজানি শহীদ হলে ইরান আগেই প্রতিশোধের বারুদ জ্বেলে হুংকার দিয়েছিল এর চূড়ান্ত পরিণতি হবে।

ঘটেছেও ঠিক তাই। মধ্যপ্রাচ্যের কুয়েত, বাহরাইন সৌদি আরবসহ সবখানে আগুন জ্বেলে দিয়েছে। আর শয়তানের দেশে তো ইরানের মিসাইলের মধ্য থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন ঝড়ে পড়েছে। ইরান যেভাবে ক্ষেপেছে তাতে তার দুর্বার গতি কোনো নেতার শহীদ হওয়াতে কমে যায় নি।

এখন আপনাদের আবার একটা বিষয় বলে নিই। সেটা হলো, শয়তান আর মোড়লের কোনো ক্ষতি বা মানুষ মরার কথা প্রকাশ করা হচ্ছে না। করলেই তার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড। তাছাড়া ইরান তো কোনো সাধারণ মানুষের মারছে না।

ইরানের যেসব জায়গায় এই দুই ন*ম*রুদ হামলা করেছে বা করতেছে ইরান ঠিক পাল্টা নমরুদদের সেইসব জায়গায় আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। তবে নমরুদরা করতেছে কী বো*ম সাধারণ মানুষের ওপরেও মেরে দিচ্ছে। যেমন, মোড়লের বিমান স্কুলের ছাত্রীদের হ *ত‍্যা করেছে।

কিছু মূর্খ অলওয়েজ এসে বলে হ‍্যাঁ, হি *জ *রা ই *লে দুই জন মরেছে আর ইরানে দেড় হাজার মরেছে। মোড়লের চারজন সেনা মরেছে।

এই পোস্টের কমেন্ট বক্সে আমি একটা ভিডিওর লিংক দিয়েছি। ভিডিওটা হলো George Galloway এর ভিডিও। তিনি হলেন একজন ব্রিটিশ সাবেক এমপি পলিটিশিয়ান, রাইটার এবং ব্রডকাস্টার।

তিনি বলেছেন, ইরান একসঙ্গে পঞ্চাশটা মিসাইল ছুঁড়ে মারতেছে তাতে নমরুদদের কেউ মারতেছে না ? কম হলেও মোড়লের এক হাজার সৈন্য মরে গেছে কিন্তু মোড়ল বলেছে চারজন মরেছে। তিনি বলেছেন এমন হিপোক্রেসির ফল পাবে এক সময়।

ইরান যে খেলা দেখাল বা দেখাতে পারবে তা শয়তান আর মোড়লের আগে হুঁশ হয় নি। মোড়ল তো এখন মাইনকার চিপায় পড়ে গেছে। তার দলে কেউ নেই। আমেরিকানরা বলতেছে এটা আমেরিকার মারামারি না। এটা হি জ লা ই লের মারামারি। স্বয়ং জেডি ভ‍্যান্স পর্যন্ত মোড়লের বিপরীতে গিয়ে ইরানের যুদ্ধ বিরোধী মন্তব্য দিয়ে বলেছে এই যুদ্ধ আমাদের না। হি* জ রাইলের।

কিন্তু কে শোনে কার কথা? মোড়ল শয়তানের কাছে ব্লাকমেইলে ধরা পড়েছে ।

মোড়ল আর শয়তান মনে করেছে ইরানের নেতাদের মেরে ফেলে সে দেশ নিয়ে নেবে। এতটা মূর্খ এই দুই নমরুদ! ইরানকে তারা গাজা আর ভেনিজুয়েলা ভেবে ভুল করেছে। নিজেদের পরিণতি যে এখন কোন তলায় গিয়ে ঠেকেছে তা মোড়ল সোনার বোঝার ক্ষমতা নেই।

আমি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির একটা ইন্টারভিউ দেখেছি আল জাজিরার সঙ্গে দিয়েছে সেখানে তিনি বলেছেন, “আমি বুঝি না এটা, মোড়ল কেন বোঝে না যে একজন করে নেতা মারলেই কোনো পরিবর্তন করতে পারবে না। ইরানের অভ্যন্তরীণ কাঠামো অন‍্য রকম। একটা পদের জন‍্য একাধিক নেতাকে রেডি রাখা হয়েছে।” তিনি আরো বলেছেন, প্রত‍্যেক নেতা রোল অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু একজনের মেরে ফেললে মারামারি বন্ধ হবে না। বা দেশ নেওয়া যাবে না।”

দেখেন না, খামেনিকে হ ত‍্যা করার পর নমরুদ বাহিনী মনে করেছিল সব শেষ , জিতে নিছি দেশ।

কিন্তু কী দেখা গেছে? প্রতিশোধের আগুনে জ্বালিয়ে দিয়ে শত্রুদের পুড়িয়ে দিয়েছে। তারপর লারিজানিকে হ ত‍্যা করে সেই আগুন দ্বিগুণ হয়ে তুষের আগুনের মতো জ্বলছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। শতরানের দেশ।

একের পর এক নেতা এসে দায়িত্ব নেবেন। ইরানের মারামারিতে কোনো রকম ফের হবে না। বরং আরো গতি বেড়ে যাবে।

এদিকে, মোড়লের ডলারের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে ইরান। হরমুজ দিয়ে যাদের তেলজাহাজকে যেতে দেবে তাদের সবাই তেলের দাম চায়নার মুদ্রা ইউয়ানে দিতে হবে। ফলে মোড়লের ডলারের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের মুখে চাক্ষুষ জুতা মেরে দিয়েছে ইরান।

ইরান এভাবে চালিয়ে যেতে পারলে মোড়লের ভবিষ্যতের মুখে গোবর লেপে দিতে পারবানে।
সম্পাদনায় :
মাহবুবুর রহমান খান
সম্পাদক – প্রকাশক
দৈনিক জনতার দেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category