স্টাফ রিপোর্টার ঃ
নরসিংদীর রায়পুরায় মানববন্ধনে বালুদস্যুদের গুলিবর্ষণ ও সশস্ত্র হামলা এবং সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় নিন্দা জানিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী। ছবি : কালবেলা
নরসিংদীর রায়পুরায় নিরীহ গ্রামবাসীর ওপর বালুদস্যুদের গুলিবর্ষণ ও সশস্ত্র হামলা এবং সাংবাদিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় নিন্দা জানিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী। সোমবার (০৭ জুলাই) সকালে উপজেলার মির্জারচর ইউনিয়নের শান্তিপুর গ্রামে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
এতে এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক আতাউর রহমান শাহীনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার মো. মিজানুর রহমান, মির্জারচর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড মেম্বার রহম আলী, ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার শাহ আলম, ডাক্তার কবীর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির হোসেন, সমাজসেবক জাহাঙ্গীর আলম, অ্যাড. মাহফুজুর রহমান, জালাল উদ্দিন মাস্টার প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, মেঘনা নদী থেকে চম্বুক ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে একটি বালুদস্যু বাহিনী। মির্জার চর ইউনিয়নের শান্তিপুর, কান্দাপাড়া, তাতুয়া পাড়া, লক্ষীপুর, বালুর চর, পূর্ব পাড়া এলাকার মেঘনা নদীর তীরবর্তী শত শত বাড়িঘরের হাজারো মানুষ নদীভাঙনে পড়েছে। এতে ভিটা-মাটি ও জমিজমা হারিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন তারা। বর্তমানে যারা নদী তীরবর্তী এলাকায় বসবাস করছেন তারা এখন বালু উত্তোলনকারী দস্যুদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। কয়েক বছর ধরে বালুদস্যুরা নদীতে চম্বুর ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় গ্রামবাসীর আবাসস্থল এখন ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে।
এর আগে শনিবার (০৫ জুলাই) মির্জারচর ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামের লোকজন সম্মিলিতভাবে আলোচনা সভা এবং মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। ভুক্তভোগীরা তাদের ঘরবাড়ি, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা, স্কুলগৃহ তথা পৈতৃক সম্পত্তি রক্ষার্থে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রথম পর্যায়ে শান্তিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আলোচনা সভা করে। পরে পাশ্ববর্তী মেঘনা নদীর তীরে মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু করে।
এ সময় বালু উত্তোলনকারী দস্যুরা মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গুলি বর্ষণ ও হামলা চালিয়ে তা বানচাল করে দেয়। অতর্কিত গুলিবর্ষণে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা সন্ত্রাসীদের ভয়ে পালিয়ে যায় উপস্থিত সাংবাদিকদের কে হত্যার হুমকি দেয় সংবাদ প্রকাশনা না করার জন্য ভয়-ভীতি দেখায় । সন্ত্রাসীদের ভয়ে উপস্থিত লোকজন চলে যায়।এ নিয়ে
এলাকাতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় ঘটে
যেতে পারে ভয়ানক সংঘর্ষ।