মাহবুবুর রহমান খান : আজ ২ জুলাই রোজ বুধবার আমিরগঞ্জ ইউপি,চেয়ারম্যান এর কাছ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিতে আসা এক ভদ্রলোক কে নির্মম ভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক মাদক সেবী
ঘটনার প্রত্যক্ষ দর্শী ইউপির হিসাব সহকারী মো: কামাল
হোসেন এর বক্তব্য থেকে জানা গেছে,বিকাল আনুমানিক
৩ টায় মোহাম্মদ শাহীন (৪২) পিতা: আব্দুল খালেক মাতা:জামিনাখাতুন সাং: মেজের কান্দি,বাঙ্গালী নগর
ডাকঘর: হাঁটুভাঙ্গা উপজেলা: রায়পুরা তিনি ব্যবসায়িক
ট্রেড লাইসেন্স নিতে নিয়ে আমিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ
কমপ্লেক্সে ঢুকার সময় কোন কারণ ছাড়াই মাদক সেবী
শামীম ওরফে কুত্তা শামীম (৪৪)শাহীন কে এলোপাতাড়ি
বাঁশ দিয়ে পিটাতে থাকে। প্রাণের ভয়ে আত্ম রক্ষার্থে শাহীন দৌড়ে হিসাব সহকারী কক্ষে ঢুকে সিটকারি লাগিয়ে দিলে শামীম পাশের বাড়ি থেকে বটি এনে লাথি মেরে বাঁশ দিয়ে আঘাত করে সিটকারি ভেঙে ভিতরে
প্রবেশ করে শাহীন কে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে।ঘটনার পর পরই স্হানীয় লোক জন তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেয়ার পর অধিক রক্ত
ক্ষরণে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
তাৎক্ষণিক বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর নাজমুল আমাকে অবহিত করে।আমি সাথে
সাথে রায়পুরা থানার ওসি আদিলুর রহমান এবং আমিরগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ক্যাম্প ইনচার্জ জিল্লুর রহমান
কে জানাই।ওসি রায়পুরা আমাকে জানান,তিনি কিছুক্ষণের মধ্যে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আসতেছেন এবং ক্যাম্প ইনচার্জ জিল্লুর রহমান আমাকে
জানিয়েছেন তিনি খুনি শামীম কে ঘটনার পর পরই আটক করতে সক্ষম হয়েছেন এবং খুনি শামীম তার
হেফাজতেই আছেন।ঘটনার সময় ইউপি চেয়ারম্যান এ,কে,এম ফজলুল করিম ফারুক জরুরি কাজে ঢাকাতে
অবস্থান করছিলেন এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: রাকিব
নাজির তিনিও পরিষদে ছিলেন না। ঘটনার পরবর্তী রাকিব নাজির পরিষদে এলে তার অনুপস্থিতির কারণ
জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান,তিনি দুটি পরিষদে দায়িত্ব
পালন করেন।আজ এখানে তার ডিউটি ছিলনা।খবর
পেয়ে অন্যত্র থেকে এসেছেন। এই নৃশংস খুনের ব্যাপারে
অনেকের অভিমত,পরিষদ চত্বরের ভিতরে শামীম হয়তো
ওপেন মাদক সেবন করছিল ভিকটিম শাহীন হয়তো
পরিষদ চত্বরে মাদক সেবন কারী শামীম কে ওপেন
মাদক সেবনে বাঁধা দেয়ায় এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। জানা গেছে খুনি শামীম এর বাড়ি পরিষদের
পিছনে হাসনাবাদ পশ্চিম পাড়া,২ নং ওয়ার্ড।তার
বাবার নাম জালু মিয়া।বাবা নেই।তিন বোন সহ মা
অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে।
আর শামীম পরিষদ চত্বরেই রাতে ঘুমায়।২০০৮ সাল
থেকে সে ইউনিয়ন পরিষদের বারান্দায় থেকে মাদক
সেবন করে আসছে।আশ পাশের বাসিন্দারা জানান, পর থেকেই পরিষদ চত্বরে
মাদকের জম জমাট আসর বসে যা গভীর রাত পর্যন্ত
চলে। আমিরগঞ্জ থেকে মাদক কে সমূলে ধ্বংস করতে
না পারলে এভাবেই খুন হতে থাকবে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী নিরীহ মানুষ গুলো।