শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

১৬৯ নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া -আটপাড়া) নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল এর স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া নিয়ে তুমুল নিন্দার ঝড়।

Reporter Name / ৪৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

কেন্দুয়া থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদ:

কেন্দুয়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সদস্য দেলোয়ার হোসেন ভুঁইয়া দুলাল-
গত ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে থেকে না থেকে আওয়ামী লীগের শাসনামলে অনেক নির্যাতন সহ্য করে মামলা হামলার শিকার হয়ে জেল জুলুম কেটে অসংখ্য হুলিয়া ভুলে আওয়ামীলীগের কাঁধে চড়ে এবার নেত্রকোণা -৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এমপি হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন যা ওই এলাকার তৃণমূলের নেতা-কর্মী সহ সাধারণ ভোটারদের কাছে গ্রহণ যোগ্য মনে হচ্ছেনা।

এমপি নুরুল আমীন তালুকদার ও এমপি খাদিজা আমিন তালুকদার আমলে এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে তিনি তদলের পক্ষে দলের অসম্ভব স্বাদ ভোগ করেছেন, যা কেন্দুয়ার রাজনৈতিক  ইতিহাসে একটি সুবিধাভোগের অনন্য রেকর্ড।কেন্দুয়া -আটপাড়াতে বিএনপির ভরাডুবির একমাত্র কুশীলব এই দুলাল চেয়ারম্যান। এর আগেও তিনি রফিক হিলালীর বিপক্ষ নিয়ে মন্জুর কাদের কোরেশির নৌকার পক্ষে কাজ করে বিএনপির ভরাডুবি করেছেন।যতবার রফিক হিলালী এই আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেছেন ততবার দুলাল চেয়ারম্যান তার বিরোধিতা করে আওয়ামীলীগের পক্ষে কাজ করেছেন।যা কেন্দুয়া -আটপাড়া বাসী অবহিত।

দুলাল – কচি চেয়ারম্যান তারা সব সময় বিএনপি কে কোনঠাসা করে রেখেছেন।কচি চেয়ারম্যান বিগত ১৭বছর কেন্দুয়া-আটপাড়াতে বিএনপির কোন প্রোগ্রামে আসেন নি।আওয়ামী বলয়ে থেকে ঢাকায় চুটিয়ে ব্যবসা করেছেন।৫ আগস্টের আগে তাকে কেন্দুয়া – আটপাড়াতে দেখা যায়নি। রাজনৈতিক মামলা,হামলা থেকে সবচেয়ে নিরাপদে ছিলেন নাজমুল হক কচি।কচি খুব চালাক।নিজে প্রার্থী না হয়ে দুলাল চেয়ারম্যান কে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে উৎসাহিত করবে এটাই স্বাভাবিক। ওরা দুজন কেউ ই বিএনপির নিবেদিত কর্মি নয়।রাজনীতি তাদের তাছে ব্যবসা, জনসেবা নয়। দুলাল চেয়ারম্যান এর

নাম এলে তাদের যুগল ঝুটি কচি চেয়ারম্যান এর নামটি এমনিতেই চলে আসে।তাদের দুজন কেউ চায়না রফিক হিলালী এমপি হোক,ধানের শীষ বিজয়ী হোক।

এ-র পরেও এতদিন দুলাল চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে কেউ কোন কথা বলেনি, যেহেতু তিনি বিএনপি দলের মনোনয়ন চেয়েছেন, বড়মাপের ব্যক্তিদের নিয়ে দলের পক্ষে এক হয়ে একসাথে ৮জন বিভিন্ন মিটিংয়ে হাতে হাত রেখে একত্রে শ্লোগান দিয়ে বলেছেন ধানের শীষ যার হাতে আমরা আছি তার সাথে।  এই ওয়াদাআজ কোথায়?  স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে এর জবাব কি দেবেন? কি বলবেন তাদের কাছে?  যদি বলে কোথায় গেল আপনার এই বক্তব্য, স্বপথ, শ্লোগান! কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আপনাকে যখন সবাই ভোটে জিতিয়ে ছিল তখন কোরআনে হাত রেখে স্বপথে বলে ছিলেন- আমি কোনদিন দলের সাথে বেঈমানী করবো না, সবসময় দলের পক্ষে কাজ করবো। আজ দল আপনাকে মনোনয়ন দেয়নি বলে আজ কেন সব ভুলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিচ্ছেন? আপনি তো একজন সাচ্চা হাজি মানুষ? আপনার জবানের বরখেলাপ কেন হবে?
স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে জিয়ার আদর্শের সৈনিকরা কি আপনার সাথে থাকবে? আপনার পিছনে কী ঘুরবে?
যদি না থাকে তাহলে আওয়ামী বা অন্য দলের ভোটের আশায় আপনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করলে কি উপকার হবে তা কেন্দুয়া -আটপাড়া বাসির বোধগম্য হচ্ছেনা। আর সব আওয়ামী/ অন্য দলের নেতারা যে আপনাকে ভোট দেবে তাও কিন্তু ঠিক না। এখন আওয়ামী নেতারা তো মাঠে নেই,থাকলে প্রতিযোগিতা করতে পারতেন। সাধারণ মানুষ কিছু আপনাকে ভোট দিলেও, সেই ভোটের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে তো ভোট চাইতে হবে। ভোট চাইতে গেলে তো ভালো নেতা/ কর্মী প্রয়োজন লাগবে। পদধারী কোন নেতা  কর্মি তো আপনার সাথে/ পক্ষে থাকবে না।

তফসিল ঘোষণার আগে আপনি যাদের নিয়ে বিভিন্ন মিটিং করেছেন তারা তো সবাই ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচন করছে, যেমন- সৈয়দ আলমগীর, মোস্তফা ই জামান সেলিমসহ অনেকেই। তারা আজ নেতা কর্মীদের ভালবাসায় অনেক সন্মানিত।

পদধারী নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে থাকলে বিএনপি দল থেকে নিশ্চিত বহিষ্কার।
আর এই ১৭ বছর অনেক নির্যাতন সহ্য করে কেউ বহিষ্কার হতে চাইবে না। আপনি ব্যক্তি যতই শক্তিশালী হোন না কেন! যদি স্বতন্ত্র প্রার্থী হোন তাহলে কেন প্রার্থী হলেন,আগে নেতা কর্মীদের কাছে কি বলেছেন এর জবাব কিন্তু দিতে হবে। আপনাকে নিয়ে কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি পরিবার অনেক গর্ব করে আপনি এই সন্মানটা রাখেন। না হয় আপনাকে তিরস্কার করে হলেও বলবে, আপনি দল বদলের লোক।

আপনি পবিত্র হজ্ব করে আসছেন, তাছাড়া কেন্দুয়া উপজেলার একজন সন্মানিত ব্যাক্তি। আপনার সাথে কোন ব্যক্তির আক্রোশ থাকতে পারে, দলের সাথে তো আপনার আক্রোশ নেই।
তাই বলছি আমি একজন নগন্য জাতীয়তাবাদী দলের সাধারণ নেতা নওপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দুয়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি (মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন সালাম) হিসেবে অনুরোধ করছি আপনি পিছনের সব ভুলে জাতীয়তাবাদী দলের পদতলে থেকে ধানেরশীষ এর পক্ষে ডক্টর রফিকুল ইসলাম হিলালী সাহেবের সাথে কাজ করুন, দলের চুড়ান্ত মনোনয়ন যেহেতু হিলালী সাহেবকে দিয়েছেন, তাহলে আমি আপনি আপত্তি করে লাভ কি? দলের ভালো হলে আপনার আমার ক্ষতি কি! আপনাকে দলের মনোনয়ন দেয়নি বলে রাগ করার কি আছে। এইবার দেয়নি হয়তো আপনি দলের ভালো কাজ করলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল আপনাকেও মনোনয়ন দিতে পারে।
আজ আপনার সন্তান নেই বলে কি হয়েছে, ভাববেন আমরা কেন্দুয়াবাসী আপনার সন্তান। আপনি কিছু কু’মানুষের পরামর্শে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভুল করবেন না, এটা হবে আপনার ভুল ধারণা। আর এই একটি ভুলে হতে পারে সারাজীবনের কান্না।

সম্পাদনায় : দৈনিক জনতারদেশ ‘নিউজ ডেক্স’

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category