শিরোনাম :
যত চাপই আসুক ব্রিটেন কে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে নেয়া যাবেনা —- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একটি শিক্ষনীয় গল্প এবং আমাদের মানবিক চরিত্র। ৯ম পদাতিক ডিভিশনের নিষ্ক্রিয়তা: ৪ আগস্টের রহস্য ঘিরে নতুন প্রশ্ন। আধুনিক বিকৃত ইসলাম এবং মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম। জন দুর্ভোগের সূতিকাগার নরসিংদী পৌরসভা হরমুজ প্রণালী কে ইস্যু করে তেহরানের নতুন পরিকল্পনা ৩ শ্রেণীতে বিভক্ত দেশ। কূয়াকাটায় ছাত্র হিযবুল্লাহর উদ্যোগে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তৈরির আশঙ্কা, নিজ নিজ শর্তে ই*রান- আ*ম্রিকা দু’পক্ষই ছাড় দিতে নারাজ, সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি কোন পক্ষ। কুরআনের অপব্যাখ্যার অজুহাতে কুষ্টিয়ায় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর কে পিটিয়ে হত্যার নেপথ্য কাহিনি। রাজধানীতে কিডনি চিকিৎসক ডা: কামরুল ইসলামের কাছে যুবদল নেতার চাঁদা দাবিতে তোলপাড় সারাদেশ।
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন

সাবেক বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান এর বীরত্ব কাহিনি।

Reporter Name / ২১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

ডেক্স রিপোর্ট :

টেকনাফ যুদ্ধে ৬০০ শত্রুর লাশের বিপরীতে বাংলাদেশের ঝরেনি একবিন্দু রক্তও। সিংহের মতো বুক চিতিয়ে লড়েছে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করে সেটা নাফ যুদ্ধ। বিডিআরের এক বীরত্বের ইতিহাস, যার মূল কারিগর ছিলেন মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক।

২০০০ সালের জানুয়ারি নাফ নদীর গতিপথ সরিয়ে নেওয়ার মতো বাঁধ বানাতে উদ্যোগ নেয় মিয়ানমার। আর এই বাঁধ দাঁড়িয়ে গেলে টেকনাফ শহর ভেসে যেতো নদীর গহ্বরে। ২৫০০ একর ভূমি হারানোর শঙ্কায় বারবার কুটনৈতিক টেবিলে সমাধানের চেষ্টা
করা হয়।

হুশিয়ারী অনুরোধ কিছুর তোয়াক্কা করছিল না মিয়ানমার। শেষে সিদ্ধান্ত হয় এবার জবাব দেয়া হবে অস্ত্রে। রাতের আঁধারে ২৫ লাখ গোলাবারুদ পাঠিয়ে দেন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান।এই জেনারেলের চোখে ছিল অদম্য আগুন।

২০০০ সালের ৮ জানুয়ারি দুপুর বেলা, সূর্য টা একটু হেলে পড়েছে। সবাই তখন ক্লান্তি নিয়ে একটু বিশ্রামের খোঁজে। তখনই ফজলুর রহমান বললেন বিসমিল্লাহ শুরু করো, তার মুখে যুদ্ধের এই সিক্রেট শব্দ শুনতেই বিডিআর জওয়ানরা ঝাপিয়ে পড়লো শত্রুর ডেরায়।

দুপুরের নিচু স্থান থেকে হঠাৎ আক্রমণে দিশেহারা হয়ে যায় মিয়ানমার সেনারা। টানা তিনদিন ধরে চলে এই যুদ্ধ বিডিআর বুক ফুলিয়ে লড়েছে, আর সাথে নিজের ভূমি রক্ষায় রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ৬০০ সৈন্য হারিয়ে মিয়ানমার কোনঠাসা হয়ে বললো তারা যুদ্ধ চায় না।

তারপরেই নাফ নদীতে নেমে আসে অদ্ভুত শান্তি, তারা চিঠি লিখে জানালো বাংলাদেশের সাথে কোনো যুদ্ধে যেতে রাজি নয়। তারা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায়, এরপরে অঙ্গীকার নামায় সাক্ষর দিয়ে তারা প্রতিশ্রুতি দিল! ভবিষ্যতে আর কখনো নাফ নদীতে
বাঁধ দেবে না তারা।

বাংলাদেশের বিডিআর সিংহের মতো লড়ে হারায়নি একজন জওয়ান কেও। বাংলাদেশী জেনারেলের সাহসী ভূমিকায় নাফ বিজয় আজও বিডিআরের গৌরব মাখা ইতিহাসের অংশ। মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান ও ছিলেন দেশের এক ইঞ্চির জন্য
অনড়।

তথ্যসূত্র:

#বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

# সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিডিআর জোয়ানদের বীরত্ব গাঁথা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category