শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন

সাবেক বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান এর বীরত্ব কাহিনি।

Reporter Name / ৩৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

ডেক্স রিপোর্ট :

টেকনাফ যুদ্ধে ৬০০ শত্রুর লাশের বিপরীতে বাংলাদেশের ঝরেনি একবিন্দু রক্তও। সিংহের মতো বুক চিতিয়ে লড়েছে বিসমিল্লাহ বলে শুরু করে সেটা নাফ যুদ্ধ। বিডিআরের এক বীরত্বের ইতিহাস, যার মূল কারিগর ছিলেন মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক।

২০০০ সালের জানুয়ারি নাফ নদীর গতিপথ সরিয়ে নেওয়ার মতো বাঁধ বানাতে উদ্যোগ নেয় মিয়ানমার। আর এই বাঁধ দাঁড়িয়ে গেলে টেকনাফ শহর ভেসে যেতো নদীর গহ্বরে। ২৫০০ একর ভূমি হারানোর শঙ্কায় বারবার কুটনৈতিক টেবিলে সমাধানের চেষ্টা
করা হয়।

হুশিয়ারী অনুরোধ কিছুর তোয়াক্কা করছিল না মিয়ানমার। শেষে সিদ্ধান্ত হয় এবার জবাব দেয়া হবে অস্ত্রে। রাতের আঁধারে ২৫ লাখ গোলাবারুদ পাঠিয়ে দেন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান।এই জেনারেলের চোখে ছিল অদম্য আগুন।

২০০০ সালের ৮ জানুয়ারি দুপুর বেলা, সূর্য টা একটু হেলে পড়েছে। সবাই তখন ক্লান্তি নিয়ে একটু বিশ্রামের খোঁজে। তখনই ফজলুর রহমান বললেন বিসমিল্লাহ শুরু করো, তার মুখে যুদ্ধের এই সিক্রেট শব্দ শুনতেই বিডিআর জওয়ানরা ঝাপিয়ে পড়লো শত্রুর ডেরায়।

দুপুরের নিচু স্থান থেকে হঠাৎ আক্রমণে দিশেহারা হয়ে যায় মিয়ানমার সেনারা। টানা তিনদিন ধরে চলে এই যুদ্ধ বিডিআর বুক ফুলিয়ে লড়েছে, আর সাথে নিজের ভূমি রক্ষায় রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ৬০০ সৈন্য হারিয়ে মিয়ানমার কোনঠাসা হয়ে বললো তারা যুদ্ধ চায় না।

তারপরেই নাফ নদীতে নেমে আসে অদ্ভুত শান্তি, তারা চিঠি লিখে জানালো বাংলাদেশের সাথে কোনো যুদ্ধে যেতে রাজি নয়। তারা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায়, এরপরে অঙ্গীকার নামায় সাক্ষর দিয়ে তারা প্রতিশ্রুতি দিল! ভবিষ্যতে আর কখনো নাফ নদীতে
বাঁধ দেবে না তারা।

বাংলাদেশের বিডিআর সিংহের মতো লড়ে হারায়নি একজন জওয়ান কেও। বাংলাদেশী জেনারেলের সাহসী ভূমিকায় নাফ বিজয় আজও বিডিআরের গৌরব মাখা ইতিহাসের অংশ। মেজর জেনারেল ফজলুর রহমান ও ছিলেন দেশের এক ইঞ্চির জন্য
অনড়।

তথ্যসূত্র:

#বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

# সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী বিডিআর জোয়ানদের বীরত্ব গাঁথা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category