ডেক্স রিপোর্ট :
মীর্জা বাবর এক লক্ষ সৈন্যসহ সমরকন্দ অভিমুখে রাওয়ানা হইলেন। তৎকালীন সমরকন্দের সুলতান আবু সাইদ মির্জা এই সংবাদে ভীত হইয়া পড়িলেন এবং খাজা ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)-এর খেদমতে হাজির হইয়া আরজ করলেন, “বাবরের সহিত যুদ্ধ করিবার শক্তি আমার নাই।আমি কোন পথ অবলম্বন করিব?”
খাজা ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ) বললেন, “আপনার রাজ্য রক্ষার ভার আমি স্বহস্তে গ্রহন করিলাম।আমি তাহা রক্ষা করিব।”
ইহার পরে বাবরের সৈন্যদলে মহামারী দেখা দিল এবং বাবর স্বয়ং মীর্জা আবু সাইদের সহিত চুক্তি করিয়া কোন মতে প্রান লইয়া প্রত্যাবর্তন করিলেন।
শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)…
খাজা আহরার (রহঃ)বলিতেন, “আমি যদি শুধু পীরের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হই, তাহা হইলে বর্তমানে কোন পীরই মুরিদ করিবার জন্যে একটি মানুষ পাইবেন না।কিন্তু আমার ওপর অন্য কাজের ভার ন্যাস্ত করা হইয়াছে।আমি মুসলমানদের জালিমের হাত থেকে রক্ষা করি, শরীয়তের আইন কানুন প্রচলন করি এবং এই জন্যই সুলতানদিগকে অবরোধ করি।আল্লাহ পাক আমাকে এইরুপ শক্তি প্রদান করিয়াছেন যে, যদি ‘খাতা’ নামক স্থানের বাদশাহকেও আমি চিঠি দেই যে, তুমি রাজতখত ত্যাগ করিয়া খালি মাথায়, খালি পায়ে,আমার আস্তানায় হাজির হও, তাহা হইলে সেও আমার আদেশ পালনে ব্রতী হইবে।কিন্তু আমি আল্লাহ্ তায়ালার হুকুম ব্যাতীত কোন কাজে হস্তক্ষেপ করি না।আল্লাহ তায়ালার ইরাদার বা ইচ্ছার তাবে করা বা পালন করার নামই তরীকতের আদব।”
সমরকন্দে হযরত শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)-এর পবিত্র মাজার অবস্থিত।
তথ্যসূত্রঃ হালাতে মাশায়েখে নকশবন্দিয়া মোজাদ্দেদিয়া (রাঃ), ২৪৫ , ২৪৮ পৃষ্ঠা।