স্টাফ রিপোর্টার :
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাব গম্ভীর পরিবেশে পালন করা হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এ উপলক্ষে গতকাল রোববার জাতি শ্রদ্ধা ভালোবাসায় স্মরণ করে শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। সরকারি ও বেসরকারিভাবে আয়োজন করা হয় বিভিন্ন কর্মসূচি।
গতকাল সকালে রাজধানীর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ ইউনুস পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে স্মৃতিসৌধ সাধারণ সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ছাত্র সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ ও বিভিন্ন সংগঠনসহ দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানায়। আর সেখানে আধিপত্যবাদীদের হাত থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার করেন। দিবসটিতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি আরো শ্রদ্ধা নিবেদন করে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ( ডাকসু) বাংলাদেশ এবি পার্টি গণসংহতি আন্দোলন,ছাত্র অধিকার পরিষদ, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রদল, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধাদল, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি,জাতীয়তাবাদী তাঁতি দল, জাতীয় যুবশক্তি, জাতীয় ছাত্র-শক্তি, গণ ফোরাম, স্বেচ্ছাসেবক দল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টি, বাসদ (মার্কসবাদী), সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, জাতীয় জনতা পার্টি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন দল সংগঠন। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিজয়ের আগমুহূর্তে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞে জাতি হারায় তার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তালিকা ধরে শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী সহ বিভিন্ন পেশার বুদ্ধিজীবীদের ঘর থেকে তুলে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। তাদের স্মরণে প্রতিবছর পালন করা হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
গভীর শ্রদ্ধায় সিক্ত রায়েরবাজার বধ্য ভূমি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে গভীর শ্রদ্ধা আর শোকে জাতিকে মেধাশূন্য করার বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে প্রাণ হারানো সূর্য সন্তানদের স্মরণে সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে জড়ো হোন সর্বস্তরের মানুষ। স্বাধীনতার উষালগ্নে আত্ম বলিদান কারী বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিতে নীরবতা, চোখের জল আর দৃঢ় প্রত্যয়ের মিলন মেলায় রূপ নেয় পুরো বধ্য ভূমি এলাকা।
তথ্যসূত্র:
# দৈনিক আমার দেশ
# দৈনিক প্রথম আলো
# নিউজ ২৪.বিডি.কম