ক্রাইম রিপোর্টার : নরসিংদি,রায়পুরা থানার একাধিক হত্যা,অস্ত্র মামলার আসামি চাঁদাবাজ ও শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ‘কানা বাবু’কে কু#পিয়ে আহত করছে আরেক মাদক ব্যবসায়ী।
নরসিংদী রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নে গত ৫ই সেপ্টেম্বর দুপুরে আলোচিত চাঁদাবাজ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও কুখ্যাত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসি ‘কানা বাবু’ (৩২) অবশেষে সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কিশোর গ্যাং তৈরি করে মাদক,অস্ত্র ব্যবসা, চাঁদাবাজি,চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছে ।তার বিরুদ্ধে নরসিংদী, রায়পুরা থানায় হত্যা অস্ত্র মামলা সহ অন্তত ডজনখানেক মামলা রয়েছে।এই কুখ্যাত অপরাধী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল।
স্থানীয় সূ ত্রে জানা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর খলাপাড়া গ্রামে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আরেক সন্ত্রাসী চক্র তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। গুরুতর অবস্থায় কানা বাবুকে তার সংগীরা উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ঢাকা প্রেরন করে।বিশ্বস্হ সূত্রে জানা গেছে
এলাকার আরেক গ্যাংলিডার
অস্ত্রধারী খুনি শীর্ষ চাঁদাবাজ
ও মাদক ব্যবসায়ী তৈয়ব কিছুদিন আগে পুলিশের হাতে
গ্রেফতার যার কাছ থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে
পুলিশ। মাদক বিক্রি এবং অস্ত্র
কেনা বেচার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে তৈয়ব গ্রুপের সাথে দ্বন্দ্বে
জড়িয়ে পড়লে সন্ত্রাসী তৈয়ব গ্রুপের লোকেরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত
জখম করে।স্হানীয় এলাকা
বাসী জানায় তৈয়ব এখন জেল
হাজতে থাকায় তার বড় ভাই
এলাকার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী বহু হত্যা মামলার আসামি শীর্ষ চাঁদাবাজ সাখাওয়াত ( পিতা,সিরাজ মিলিটারি) এর নেতৃত্বে কানাবাবুর ওপর হামলা চালানো
হয়েছে।কানা বাবু সহ তাদের প্রত্যেকের নামে নরসিংদী, রায়পুরা থানায় ডজন খানেক
মামলা চলমান রয়েছে।
আহত কানা বাবুর পিতার নাম মোগল ড্রাইভার সাং- করিমগঞ্জ
ইউনিয়ন আমিরগঞ্জ। কানা বাবু দীর্ঘদিন ধরে এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে আসছিলো। দিনের পর দিন সাধারণ মানুষ তার কিশোর গ্যাং এর হাতে হয়রানি ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।
স্থানীয়রা মনে করছেন, এই ঘটনার মাধ্যমে তার অপরাধী জীবনযাত্রার অবসান ঘনিয়ে এসেছে। অনেকে বলছেন, “এটাই বিচার, যেটা সে এতদিন অন্যদের সঙ্গে করেছে, এবার তা নিজেই ভোগ করছে।” কানা বাবু এখন কোথায়?
বিষয়টি জানতে আমিরগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ক্যাম্প ইনচার্জ
সাব- ইন্সপেক্টর জিল্লুর রহমান
এর সাথে তার মুঠোফোনে কথা
হলে তিনি দৈনিক জনতার দেশ
কে জানান,কানাবাবু বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালের আইসিইউ তে আছে।সে এখন জিবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।সে সার্বক্ষণিক পুলিশ পাহাড়ায় নজর দারিতে
আছে। জিল্লুর রহমান আরো
জানান,আমিরগঞ্জের সকল অপরাধী কে গ্রেফতার করে
আইনের হাতে সোপর্দ করবো
ইনশাআল্লাহ। কেউ ছাড় পাবেনা। পুলিশ প্রশাসন এ ব্যাপারে যথেষ্ট এলার্ট আছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু কানা বাবুকে নয়—এই অঞ্চলের সব সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে এলাকাকে নিরাপদ করা হোক।এলাকার জনগণ পুলিশ কে সার্বিক সহযোগিতা করবে
এমনটিই জানিয়েছেন এলাকার
শান্তিপ্রিয় মানুষ।