মো: মাহবুবুর রহমান খান:মাইল স্টোন কলেজে প্রশিক্ষণ
বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বিমানের পাইলট ফ্লাইট লে.তৌকির
স্কুল শিক্ষক মাহেরীন চৌধুরী সহ শতাধিক কোমল মতি
শিক্ষার্থী হতাহতের খবরে দেশ বাসীর পাাশা পাশি সকল
প্রতিষ্ঠান শোকের সাগরে ভাসছে।এই দায়ভার কে নেবে
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী? নাকি, সরকার?
বাংলাদেশে প্রশিক্ষণের জন্য পতেঙ্গা, কক্রবাজার সহ জনবসতিহীন নির্জন স্হান ব্যবহার করা যেতো। জনবহুল
নগরী ঢাকার উপর দিয়ে প্রশিক্ষণ বিমান চালানো কতটুকু
যুক্তযুক্ত তা বিশেষজ্ঞ দের বোধগম্য হচ্ছেনা।আর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের রান ওয়ের কাছে
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ উঁচুতলার ভবন নির্মাণের অনুমতি নগর পরিকল্পনাবিদ দের বুদ্ধিহীনতার পরিচয়ই বহন করে।
এই দুর্ঘটনার দায়ভার সিভিল এভিয়েশন,বাংলাদেশ বিমান
বাহিনী কর্তৃপক্ষ,নগর পরিকল্পনাবিদগণ,ভাঙ্গাচোরা বিমান
ক্রয়ের কুশিলবগণ সহ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
কোন ভাবেই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। বাংলাদেশে ইতোপূর্বে এই F-7 বিমান যত টি প্রশিক্ষণের জন্য উড্ডয়ন করা হয়েছে তার মধ্যে উড্ডয়নকালীন Maximum
বিমান নির্দিষ্ট স্হানে অবতরণ করার আগেই বিধ্বস্হ হয়েছে সাথে পুড়ে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন অসংখ্য পাইলট
বিগত ২৫ বছরের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করলেই সঠিক পরিসংখ্যান বেরিয়ে আসবে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন একজন এ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন
অবসর প্রাপ্ত বৈমানিক এই দূর্ঘটনার ব্যাপারে দৈনিক জনতার দেশ কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন,
বিভিন্ন দেশ থেকে Expire date over F-7 বিমান
গুলো নাম মাত্র মূল্যে ক্রয় করে ভাঙ্গা জোড়া তালি দিয়ে
যন্ত্রপাতি সংযোজন করে রাষ্টের একটি দায়িত্ব পূর্ণ অসাধু
চক্র বিভিন্ন প্রশিক্ষণ বিমান,পরিবহন বিমান ক্রয়ের টেণ্ডার বাজিতে লিপ্ত। সরকারের একটি বিশেষ ক্ষমতাশালী মহলের গুটিচালের ফসল এই বিমান দুর্ঘটনা
শত ভাগ উড্ডয়ন উপযোগী বিমান ক্রয় করা হলে এমন
দুর্ঘটনার প্রশ্নই ওঠেনা।এই অকেজো বিমান অনেক সময়
উড্ডয়ন কালে রাডার সিস্টেম অফ হয়ে যায়। বিপদ কালীন কন্ট্রোল রুমের সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়
SOS বার্তা পাঠানো যায়না। সবকিছু অকার্যকর হওয়ার
পরে একটা সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। বিমান
দুর্ঘটনার সাথে আগুনে পুড়ে দগ্ধ হয়ে যায় কিছু সম্ভাবনাময় আগামি ভবিষ্যৎ অপূরণীয় ক্ষতি হয় রাষ্ট্রের
সম্পদ।তাদের পরিভাষ্যমতে এটাই প্রতীয় মান হয়েছে
জনগণের কষ্টার্জিত করের টাকা প্রবাসীদের ঘামঝরা
রেমিট্যান্স এভাবেই বিলীন হচ্ছে। বিগত ১০ বছরে
এই ব্রাণ্ডের ৪ টি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে ২ জন পাইলট
মারা গেছেন।তারপর ও কর্তৃপক্ষ এত উদাসীন কেন?
বিমান ধ্বংস হলে জনগণের উপর আরো অধিক কর
আরোপ করে বিমান কেনা যাবে বাট জিবনের হিসাব
কীভাবে মেলাবেন?এই বিমান দুর্ঘটনায় সাহসী ভূমিকার
কারণে বিমান বাহিনী কর্তৃপক্ষ হয়তো ফ্লাইট লে. তৌকির
কে বীরের মর্যাদা দিয়ে কোন রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে ভূষিত
করে নিজেদের দায় সারবেন কিন্ত মাইলস্টোন কলেজে
অধ্যয়নরত যে সকল কোমল মতি শিক্ষার্থী আগুনে
দগ্ধ হয়ে মারা গেছে কিংবা যারা মৃত্যুর ঝুঁকিতে আছে
সেই সব শিক্ষার্থী,শিক্ষক এবং তাদের অভিভাবকের কি
হবে? তাদের ক্ষতি পূরণ কে দেবে? এই প্রশ্নের উত্তর
২০ কোটি জনতার উপর ছেড়ে দিলাম।
লেখক: সম্পাদক- প্রকাশক
দৈনিক জনতার দেশ
ও জনতার দেশ টিভি।