ভৈরবের আলোচিত মিন্টু কমিশনার, যিনি এক সময় ফুটপাতে ব্যবসা করতেন, বর্তমানে শতকোটি টাকার মালিক। অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপতির ছেলে ও সাবেক মন্ত্রী পাপনের ছত্রছায়ায় নরসিংদী এলাকায় অবৈধভাবে ঢুকে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তিনি গড়ে তোলেন বালু সাম্রাজ্য। চুম্বক ড্রেজার ব্যবহার করে বালু তুলতেন মিন্টু গং। বনে যান শত কোটি টাকার মালিক
তার সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও কিছু নামধারী সাংবাদিক, যাদের বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে।
ভৈরবের বহুল আলোচিত ‘জান্নাত হোটেল’ ছিল বিএনপি-জামাতের কথিত টর্চার সেল, যা ৫ আগস্ট বিক্ষুব্ধ জনতা পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। ওই ঘটনায় চার-পাঁচজন পুড়ে মারা যান বলে দাবি করেছে স্থানীয়রা।
বর্তমানে মিন্টু পলাতক। তার বিরুদ্ধে রয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা মামলাসহ একাধিক অপরাধমূলক অভিযোগ। ভৈরববাসী তার দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
ভৈরবপুরের বাসিন্দা রাজিব, কবির ও সালমা বেগম জানান, মিন্টু ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অবৈধ বালু ব্যবসা করে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।
আওয়ামী সরকারের দোসর মিন্টু কমিশনার কে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।