শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন

বৈশ্বিক তাপমাত্রার ঝুঁকিতে বিশ্বের দ্বিতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ

Reporter Name / ৩০৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন:শুধু ২০২৪ সালে তাপ জনিত শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ও সমস্যার কারণে বাংলাদেশে ২৫ কোটি কর্ম দিবস নষ্ট হয়েছে।এর আর্থিক ক্ষতি বিডিটি ১৭৮ কোটি টাকা। (এক দশমিক ৭৮ মার্কিন বিলিয়ন ডলার ) যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় শূন্য দশমিক ৪শতাংশ।তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশ এখন শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কবলে পড়েছে। একই সঙ্গে উৎপাদনশীলতা হ্রাস পেয়ে অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এ কারণে ক্রমবর্ধমান তার ঝুঁকি থেকে মানুষ জীবিকা ও অর্থনীতিকে রক্ষায় জরুরী ও সমন্বিত পদক্ষেপের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে বিশ্ব ব্যাংক। সংস্থাটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে unsustainable life the impact of hit on health & the economy of Bangladesh শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজুয়ানা হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ ছায়েদুর রহমান। প্রতিবেদনে বলা হয় জনিত রোগে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১৩৩ কোটি থেকে ১৭৮ কোটি ডলার। যা স্থানীয় মুদ্রার প্রায় ১৫ হাজার ৯৬০ কোটি থেকে ২১ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। এটি ওই বছরের জিডিপির শূন্য দশমীক ৩ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। তাছাড়া ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার তুলনায় যখন তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়। সে সময় শ্রমজীবী মানুষের উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। জাতীয় গড় তাপমাত্রার তুলনায় ঢাকার হিট ইন্ডেক্স প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। এর অর্থনৈতিক ক্ষতিও ব্যাপক। স্বাস্থ্য খাতে এর প্রভাব আরও স্পষ্ট। গ্রীষ্মকালে ডায়রিয়া ও দীর্ঘস্থায়ী কাশির সমস্যা শীতকালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়। নারীরা তাপ জনিত অসুস্থতা হিট স্ট্রোক ও অবসাদে বেশি আক্রান্ত হন। গরমে অস্থিরতা ও উদ্বেগের মাত্রা বেড়ে যায়। এটি গ্রীষ্মকালে বেশি দেখা যায়।বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হতাশা বাড়ে আর ৫০ থেকে ৬৫ বছর বয়সি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ তৈরি হয়।শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতার কারণে উৎপাদনশীলতার ক্ষতি শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে বেশি। অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিষয়ক বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেশমে তার মতামত তুলে ধরেন। এতে south Asia health nutrition & population practice এর প্র্যাকটিস ম্যানেজার ড. ফ্যাং ঝাঁউ স্বাগত বক্তব্য দেন। বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র অপারেশন অফিসার ইফফাত মাহমুদও সিনিয়ার হেলথ স্পেশালিস্ট ওয়ামেক এ রাজা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। প্রতিবেদনে ১৯৭৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার ধারা বিশ্লেষণ করা হয়। পাশাপাশি ২০২৪ সালে ১৬ হাজারেরও বেশি মানুষের উপর পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়।
সূত্র: বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন।
নিউজ ক্রেডিট: দৈনিক আমার দেশ।
অনুলিখন : মো: মাহবুবুর রহমান খান
সম্পাদক- প্রকাশক,দৈনিক জনতার দেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category