শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে চীনে নারী পাচারের অভিযোগে কেন্দুয়াতে (নেত্রকোণা) এক চীনা নাগরিক আটক

Reporter Name / ১৮৪ Time View
Update : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

কেন্দুয়া থেকে শাহ আলী তৌফিক রিপন:
‎বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিন তরুণীকে চীনে পাচারের চেষ্টা চলছিল। স্থানীয়দের সন্দেহ, মিডিয়ার সতর্ক ভূমিকা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত তৎপরতার কারণে একটি সম্ভাব্য পাচারচক্র ধরা পড়েছে।


‎আটককৃত:

‎১।চীনা নাগরিক লি ওয়েইহাও

‎২।বাংলাদেশী নাগরিক মোঃ ফরিদুল ইসলাম (কুড়িগ্রামের বাসিন্দা)


‎ভুক্তভোগী:

‎কেন্দুয়ার এক পোশাক শ্রমিক তরুণী এবং তার এক খালাতো বোন।



‎৩।জামালপুরের এক কিশোরী।


‎ঘটনার ধরন:

‎বিয়ের ফাঁদে ফেলে বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা।

‎ভুয়া/সন্দেহজনক কাগজপত্র দেখানো হয় (যেখানে প্রকৃত কাজী অফিসের স্বীকৃতি নেই)।

‎ফরিদুলের মোবাইলে অসংখ্য নারীর ছবি, আইডি, পাসপোর্ট, টাকা লেনদেনের প্রমাণ, পাচারচক্রের আলামত পাওয়া গেছে।


‎প্রশাসনিক পদক্ষেপ:

‎স্থানীয় সাংবাদিকের তথ্য দেওয়ার পর সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ার বিষয়টি থানাকে জানান।

‎রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

‎জিজ্ঞাসাবাদ চলছে; তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


‎আইনি দিক:

‎নোটারি এফিডেভিট বা ভুয়া সনদ দিয়ে বিয়ে বৈধ হয় না।

‎বিদেশি নাগরিকদের জেলা-উপজেলায় ভ্রমণে প্রশাসনের অনুমতি ও বৈধ কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক।

‎আটক চীনা নাগরিক অনুমতি নেননি, পাসপোর্ট/ভিসার হার্ড কপি তার কাছে ছিল না।



‎👉 ঘটনাটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাংলাদেশে একটি সক্রিয় নারী পাচার চক্র বিদেশিদের সঙ্গে জোট বেঁধে কাজ করছে, বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের টার্গেট করে।

‎ঘটনা:
‎কেন্দুয়া উপজেলার সলফ কমলপুর গ্রামে রবিবার রাতের দিকে তিন তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে চীনে পাচারের চেষ্টা হচ্ছিল।

‎আটককৃতরা:
‎১. চীনা নাগরিক লি ওয়েইহাও
‎২. বাংলাদেশি নাগরিক মোঃ ফরিদুল ইসলাম (৩৫), কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাটের বাসিন্দা

‎উদ্ধার:
‎তিনজন কিশোরী (রুবেল মিয়ার মেয়ে, তার খালাতো বোন, এবং জামালপুরের এক কিশোরী)।

‎প্রশাসনের পদক্ষেপ:
‎স্থানীয়দের সন্দেহে সংবাদকর্মী সেনাবাহিনীর মদন ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ারকে অবহিত করেন।
‎শাহরিয়ার খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানার ওসিকে জানান।
‎এরপর রাত ২:১৫ মিনিটে ওসি (তদন্ত) মিহির রঞ্জন দেব সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

‎সন্দেহের কারণ:

‎বিয়ের কাগজপত্র আসল নয়, সন্দেহজন।

‎নোটারি পাবলিকের এফিডেভিটকে আসল বিবাহ নিবন্ধনের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, যা বৈধ নয়।


‎প্রশাসনের বক্তব্য:

‎এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান এর সাথে কথা
হলে তিনি দৈনিক জনতার দেশ প্রতিনিধিকে জানান,তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা: বিস্তারিত তদন্ত শেষে বলা যাবে।

‎সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ার: স্থানীয় থানাকে অবহিত করেছি, তারা ব্যবস্থা নিয়েছে।

‎জেলা প্রশাসক: বিদেশি নাগরিক উপজেলা/জেলায় প্রবেশের আগে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হয়। আটককৃত চীনা নাগরিক কোনো অনুমতি নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে কেন্দুয়াতে ব্যাপক আলোচনা-
সমালোচনা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category