কেন্দুয়া থেকে শাহ আলী তৌফিক রিপন:
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিন তরুণীকে চীনে পাচারের চেষ্টা চলছিল। স্থানীয়দের সন্দেহ, মিডিয়ার সতর্ক ভূমিকা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত তৎপরতার কারণে একটি সম্ভাব্য পাচারচক্র ধরা পড়েছে।
আটককৃত:
১।চীনা নাগরিক লি ওয়েইহাও
২।বাংলাদেশী নাগরিক মোঃ ফরিদুল ইসলাম (কুড়িগ্রামের বাসিন্দা)
ভুক্তভোগী:
কেন্দুয়ার এক পোশাক শ্রমিক তরুণী এবং তার এক খালাতো বোন।
৩।জামালপুরের এক কিশোরী।
ঘটনার ধরন:
বিয়ের ফাঁদে ফেলে বিদেশে নেওয়ার পরিকল্পনা।
ভুয়া/সন্দেহজনক কাগজপত্র দেখানো হয় (যেখানে প্রকৃত কাজী অফিসের স্বীকৃতি নেই)।
ফরিদুলের মোবাইলে অসংখ্য নারীর ছবি, আইডি, পাসপোর্ট, টাকা লেনদেনের প্রমাণ, পাচারচক্রের আলামত পাওয়া গেছে।
প্রশাসনিক পদক্ষেপ:
স্থানীয় সাংবাদিকের তথ্য দেওয়ার পর সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ার বিষয়টি থানাকে জানান।
রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদ চলছে; তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনি দিক:
নোটারি এফিডেভিট বা ভুয়া সনদ দিয়ে বিয়ে বৈধ হয় না।
বিদেশি নাগরিকদের জেলা-উপজেলায় ভ্রমণে প্রশাসনের অনুমতি ও বৈধ কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক।
আটক চীনা নাগরিক অনুমতি নেননি, পাসপোর্ট/ভিসার হার্ড কপি তার কাছে ছিল না।
👉 ঘটনাটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাংলাদেশে একটি সক্রিয় নারী পাচার চক্র বিদেশিদের সঙ্গে জোট বেঁধে কাজ করছে, বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের টার্গেট করে।
ঘটনা:
কেন্দুয়া উপজেলার সলফ কমলপুর গ্রামে রবিবার রাতের দিকে তিন তরুণীকে বিয়ের প্রলোভনে চীনে পাচারের চেষ্টা হচ্ছিল।
আটককৃতরা:
১. চীনা নাগরিক লি ওয়েইহাও
২. বাংলাদেশি নাগরিক মোঃ ফরিদুল ইসলাম (৩৫), কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাটের বাসিন্দা
উদ্ধার:
তিনজন কিশোরী (রুবেল মিয়ার মেয়ে, তার খালাতো বোন, এবং জামালপুরের এক কিশোরী)।
প্রশাসনের পদক্ষেপ:
স্থানীয়দের সন্দেহে সংবাদকর্মী সেনাবাহিনীর মদন ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ারকে অবহিত করেন।
শাহরিয়ার খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানার ওসিকে জানান।
এরপর রাত ২:১৫ মিনিটে ওসি (তদন্ত) মিহির রঞ্জন দেব সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।
সন্দেহের কারণ:
বিয়ের কাগজপত্র আসল নয়, সন্দেহজন।
নোটারি পাবলিকের এফিডেভিটকে আসল বিবাহ নিবন্ধনের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল, যা বৈধ নয়।
প্রশাসনের বক্তব্য:
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান এর সাথে কথা
হলে তিনি দৈনিক জনতার দেশ প্রতিনিধিকে জানান,তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা: বিস্তারিত তদন্ত শেষে বলা যাবে।
সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট শাহরিয়ার: স্থানীয় থানাকে অবহিত করেছি, তারা ব্যবস্থা নিয়েছে।
জেলা প্রশাসক: বিদেশি নাগরিক উপজেলা/জেলায় প্রবেশের আগে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হয়। আটককৃত চীনা নাগরিক কোনো অনুমতি নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে কেন্দুয়াতে ব্যাপক আলোচনা-
সমালোচনা হচ্ছে।