বহুবিবাহ ও একাধিক পুরুষে আসক্ত এই নারীকে বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন,
বরগুনার পাথর ঘাটার কালমেঘা গ্রামের হালিম মেম্বারের মেয়ে ইসরাত জাহান তননির এই পর্যন্ত তিনটি বিয়ের তথ্য পাওয়া গিয়েছে, এই বাটপার মেয়ের ১ম বিয়ে হয়েছিল সেনাবাহিনীর এক সদস্যের সাথে। ঐ জামাই এই মেয়েকে পরপুরুষের সাথে অপ্রীতিকর অবস্থায় হাতে নাতে ধরে ফেললে সেই জামাইয়ের সাথে ছাড়াছাড়ি হয়।
এই মেয়ের ২য় বিয়ে হয়েছিল তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সাথে, এই মেয়ের পরকিয়া ও কতদিন চাহিদার কারণে সেই বিয়ে ও টিকেনি।
পরে গোপালগঞ্জের এক ছেলের সাথে মোবাইলে প্রেম করে বিয়ে হয়। এই সংসারে এই মেয়ের তিন বছরের একটা মেয়ে সন্তানও আছে।
এছাড়াও ছবিতে অন্তরঙ্গ অবস্থায় থাকা গাজীপুর বাড়ি এই পুরুষের সাথেও স্বামী থাকা সত্ত্বেও এই মেয়ে দেড় বছর পরকিয়া প্রেম করে,বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এই ছেলের কাছ থেকে সাংসারিক খরচের কথা বলে দেড় লাখ টাকা প্রতারণা করে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।
তবে এই সমস্ত লোভী বাটপার মেয়েদের জন্য বরগুনার বদনাম হচ্ছে, তাই অচিরেই এদেরকে সামাজিক ও আইনের আওতায় বিচারের প্রয়োজন, শুধু ছেলের বিচার হলে হবে না মেয়েরও বিচার হতে হবে।
যুব সমাজের সামাজিক অবক্ষয় রোধে এই রকম বহুগামী নারীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারলে নারী সমাজ ও কলঙ্কিত হবে।তন্নির মতো অসংখ্য নারী এই সমাজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তাদের সমুচিত
শাস্তি না হলে এই বহুগামিতা দিন দিন বাড়তেই থাকবে।