শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন

নরসিংদী বড়বাজার এর সভাপতি মূর্তিমান আতঙ্ক বাবুল সরকার আওয়ামীলীগ না, বিএনপি ? তার ভয়ে ব্যবসায়ীরা পালিয়ে গেছে। বাজার জনশূন্য

Reporter Name / ২৬২ Time View
Update : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫

নরসিংদী প্রতিনিধি ( দৈনিক জনতার দেশ):

নরসিংদী বড়বাজার এখন চাঁদাবাজি ও দ্বন্দ্বে জনশূন্য।
বাবুল সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়।
নরসিংদী, ১১ জুলাই ২০২৫: নরসিংদী বড়বাজার আজ (শুক্রবার) বিএনপির দুই গ্রুপের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এবং লাগামহীন চাঁদাবাজির কারণে এক ‘ভূতুড়ে নগরী’তে পরিণত হয়েছে। বাজারের ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দোকানপাট ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় পুরো বাজার এখন জনশূন্য। ব্যবসায়ীদের অভিযোগের তীর নরসিংদী বড়বাজারের সভাপতি বাবুল সরকারের দিকে, যাকে তারা আওয়ামী লীগের দোসর এবং চাঁদাবাজির মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত করছেন।
নরসিংদী শহর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সিজার সরকার অভিযোগ করে বলেছেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে বাবুল সরকার হিন্দু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা চাঁদাবাজি করেছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় জমেছে, যার মধ্যে ব্যবসায়ীদের কথায় কথায় মারধর এবং দাবি মতো টাকা না দিলে শারীরিক নির্যাতনের ঘটনাও রয়েছে। সিজার সরকারের দাবি, বাবুল সরকারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও বাবুল সরকারের নেতৃত্বে অবৈধ ভারতীয় চিনি এনে কোটি কোটি টাকা উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে। এই চক্রে মদিনার মালিক আসাদ, বাবুল সরকার, মতিন সরকার এর মেয়ের জামাই রাসেল, আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল এবং বাপ্পি সাহা ও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বর্তমানে বাজারে লাগামহীন চাঁদাবাজি চলছে। যা ব্যবসায়ীদের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। গত শুক্রবারের ঘটনার পর বাজারের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে এই চাঁদাবাজি বন্ধে এবং বাবুল সরকারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায়, নরসিংদী বড়বাজারের এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা। নিরীহ ব্যবসায়ীগণ বাজারের সুষ্ঠু পরিবেশ
ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসক রাশেদ চৌধুরী এবং
পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান এর প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।শান্তি শৃঙ্খলার জন্য তারাই এখন শেষ ভরসা দৈনিক জনতার দেশ কে এমনটিই জানিয়েছেন
নরসিংদী বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category