মাহবুবুর রহমান খান : সারাদেশে সন্ত্রাসি,চাঁদাবাজ,ভূমিখেঁকো,খুনি,মাদক ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক আস্হিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি কারী সহ পুলিশের তালিকাভুক্ত
রেডলিস্টেড অপরাধী ধরতে
যৌথবাহিনি সহ পুলিশ এক
যোগে মাঠে নেমে কাজ
করছে।তারই ধারাবাহিকতায় নরসিংদির পুলিশ বাহিনী ও
বসে নেই।জেলার আইন
শৃঙ্খলা পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রন সহ
৫ আগস্টে ভেলানগর
জেলখানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে নরসিংদী জেলা
পুলিশ দিন রাত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
গত ১৭ আগস্ট জেলা ডিবি
পুলিশ নরসিংদির শীর্ষ সন্ত্রাসী
৪ টি হত্যা মামলা সহ
নরসিংদী কারাগারের অস্ত্র লুটের দুর্ধর্ষ আসামি ( পুলিশের তালিকাভুক্ত রেড লিস্টট)তৈয়ব (২৬)পিতা
সিরাজ মিলিটারি গ্রাম:
খলাপাড়া,ইউনিয়ন আমিরগঞ্জ কে আনুমানিক রাত পোনে
৯টায় তার নিজ গ্রাম
খলাপাড়া থেকে গ্রেফতার
করে।গ্রেফতারের সময়
তার কাছ থেকে একটি পিস্তল
গান পাউডার,সহ ককটেল বোমা তৈরির বেশ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করে।
পরবর্তীতে তাকে রিমান্ডে নিয়ে
নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের
পর তার কাছে আরো আগ্নেয়াস্ত্র আছে বলে জানায়।
এই সূত্র ধরে,গত ২৫ আগস্ট
গভীর রাতে জেলা ডিবি পুলিশ
তাকে নিয়ে খলাপাড়া বাজার
সংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে একটি দেশীয় তৈরি পাইপ গান
সহ জেলখানা থেকে লুট হওয়া
একটি চায়নিজ রাইফেল উদ্ধার
করে।এলাকা সূত্রে জানা গেছে,
তৈয়ব রায়পুরার একজন শীর্ষ
মাদক ব্যবসায়ী।মাস দেড়েক আগে সে ডিশ এবং মাদক ব্যবসার একক নিয়ন্ত্রণ নিতে
তারই এক সময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু
পাশ্ববর্তী নলবাটা গ্রামের রিজভি (৩২) নামক এক তরুন কে নরসিংদী শহরস্হ
ব্রাহ্মন্দি এলাকায় অসংখ্য জনতার সামনে সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে
গুলি করে,কুপিয়ে হত্যা করে।
কিলিং মিশনে সেদিন নেতৃত্ব দেয় তারই আপন সহোদর রায়পুরায় মাদক সিন্ডিকেটের
মূল হোতা সাখাওয়াত। সে এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে
রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে
জানা গেছে।নাম প্রকাশ না
করার শর্তে জেলা পুলিশের
একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা
দৈনিক জনতার দেশ কে
দেয়া এক মুঠোফোন বার্তায়
জানান,আমিরগঞ্জ ইউনিয়নে
আরো কয়েক জন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী রয়েছে যাদের কাছে
জেলখানা থেকে লুট হওয়া
আরো কিছু আগ্নেয়াস্ত্র মজুত
রয়েছে। আমরা এ ব্যাপারে
তাদের চলাফেরা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল আছি।আশা করি
তাদের গ্রেফতার করে বাকি
অস্ত্র গুলো উদ্ধার করতে
পারবো। আমিরগঞ্জ এখন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য, সন্ত্রাসী গ্রফতারে স্হানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বিষয়টি জানতে এ ব্যাপারে ব্যাপারে
রায়পুরা থানার ওসি আদিল মাহমুদ এবং আমিরগঞ্জ পুলিশ
ফাঁড়ির ক্যাম্প ইনচার্জ এস,আই জিল্লুর রহমান এর
সাথে তাদের মুঠোফোনে কথা
হলে তারা উভয়ই জানান,তৈয়ব এর দেয়া তথ্য
অনুযায়ী যাদের নাম এসেছে
তাদের বেশ কয়েক জন আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা
এবং পুলিশের তালিকাভুক্ত আসামি।সকল অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের হাতে সোপর্দ করতে আমরা
কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ
অতি দ্রুত তার ফলাফল দেখতে পাবেন।গত এক মাসে
জেলা পুলিশ নরসিংদির আইন
শৃঙ্খলা পরিস্হিতি উন্নয়নে যথেষ্ট সফলতা দেখিয়েছেন।
জেলাবাসি পুলিশের প্রতি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞ। যা না
বললেই নয় পুলিশের এই সফলতার পিছনে যিনি অগ্রণী
ভূমিকা পালন করেছেন তিনি
হলেন জনবান্ধব পুলিশ অফিসার এসপি,আব্দুল হান্নান।
পুলিশ সূত্রে অবগত হয়েছি,তিনি নরসিংদী থেকে বদলী হতে যাচ্ছেন।ট্রান্সপার এ্যাবল জব।বদলী স্বাভাবিক।
তবে ক্ষণিক সময়ে তিনি নরসিংদী বাসীর জন্য যা করে গেছেন তা স্মরণীয় হয়ে
থাকবে। এসপি,আব্দুল হান্নান কে জনতার দেশ পরিবারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন।নতুন কর্মস্থলে এভাবেই আপনি আপনার মেধা প্রজ্ঞা আর
প্রশাসনিক পরশ দিয়ে জনগণ
কে পরিষেবা দিয়ে নিরাপত্তার
চাদরে আবৃত রাখবেন এটাই
বিধাতার কাছে প্রতিনিয়ত প্রত্যাশা।
প্রতিবেদক:
সম্পাদক- প্রকাশক
দৈনিক জনতার দেশ
ও জনতার দেশ টিভি।