নরসিংদীতে যুবলীগ নেতা টাক্কু মুমিনের বিরুদ্ধে ৭ হত্যা মামলা, থানা পুলিশ ম্যানেজ করে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে রহস্যজনকভাবে
নরসিংদী প্রতিনিধি:
নরসিংদীতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত সাতটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যুবলীগের সহ-সভাপতি টাক্য মুমিনের বিরুদ্ধে মামলা চলমান থাকলেও তিনি এখনও রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বারবার আইনের হাত এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় টাক্য মুমিন এলাকায় ‘টেটা মমিন’ ও ‘ভাঙ্গারি মমিন’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি এলসি ব্যবসার আড়ালে সরকারের শত কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেন। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে এনবিআরে মামলা চলমান রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তিনি নিজে ও তার অনুসারীরা ভেলানগর ও পাঁচদোনায় ছাত্র হত্যার মতো নৃশংস ঘটনায় জড়িত। এছাড়া চুরি, ডাকাতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, ভূমিদস্যতা ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এলাকাবাসীর দাবি, সাবেক মন্ত্রী হুমায়ুন মাঝি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ভূঁইয়া এবং নরসিংদী পৌরসভার মেয়র কামরুলের প্রভাব খাটিয়ে টাক্য মুমিন দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে তিনি এলাকায় হত্যাকাণ্ড, সন্ত্রাস, জমি দখল ও ভোট কারচুপির মাধ্যমে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার ভূমিকা পালন করেছেন।
করিমপুর ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন, জামায়াতসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতিতে টাক্য মুমিনকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
করিমপুর এলাকার একাধিক বিএনপি নেতা জানিয়েছেন চিনিশপুর বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকনের আত্মীয় পরিষদ দানকারী আওলাদ মোল্লা মমিন এর ছেলের বিবাহ উকিল হয়েছে এবং টাকার বিনিময়ে তাকে সেল্টার দিচ্ছে এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে ।
নেতারা তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন
এলাকাবাসীর অভিযোগ, তার নির্যাতন ও সন্ত্রাসে অতিষ্ঠ হয়ে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।