রায়পুরা প্রতিনিধি:
আমিরগঞ্জ ও বদরপুর ব্রিজে দিন দুপুরে শাহাদত (১৫)নামের এক কিশোরকে গলা কেটে হত্যার পর তার ভিবাটেক (অটো রিক্সা) টি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায় ২৯ নভেম্বর দুপুরে যাত্রী বেশে এক ছিনতাইকারী শাহাদতের ভিবাটেক পরিবহনে ওঠে।তারপর আমিরগঞ্জের হাসনাবাদ বাজার পার হয়ে বদরপুর ব্রিজের কাছাকাছি গেলে যাত্রী বেশে ওঠা ছিনতাইকারী শাহাদতের গলা টিপে ধরে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে মৃত্যু নিশ্চিত করার পর ধারালো ছুরি দিয়ে তাকে গলা কেটে ব্রিজের নিচে ফেলে দেয়।পথচারীগণ ব্রিজের নিচে একটি রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে নিকটস্থ আমিরগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পে খবর দেয়।পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনা স্হলে গিয়ে শাহাদতের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে। জানা গেছে,কিশোর শাহাদত একজন মাদ্রাসা ছাত্র।সে আদিয়াবাদ গ্রামের প্রতিবন্ধি ইব্রাহীম মিয়ার ছেলে।অভাবের সংসারে হাল ধরতে মাদ্রাসার ছুটিতে বাড়িতে বাড়িতে এলে অটোরিকশা চালিয়ে নিজের লিখাপড়ার খরচের পাশাপাশি সংসারে অর্থের যোগান দিত। এই লোমহর্ষক ঘটনায় খুনি কে গ্রেফতারের দাবিতে সমগ্র নরসিংদীতে প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফুঁসে ওঠেছে সাধারণ মানুষ। আর এদিকে খুনিকে সনাক্ত করতে আমিরগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে এলাকায় স্হাপিত বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে চালক শাহাদত এবং যাত্রী বেশে ওঠা ছিনতাইকারীর ছবি সনাক্ত করা হয়েছে।এখন শুধু খুনিকে গ্রেফতার করার পালা।খুনিকে গ্রেফতার করতে রায়পুরা থানা পুলিশ, পিবিআই, Rab সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এক যুগে কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে আমিরগঞ্জ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই (নিরস্র) জিল্লুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি জনতার দেশকে জানান,আমরা এলাকার বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে প্রকৃত খুনি সনাক্ত করতে পেরেছি। তাকে ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। আমরা আশাবাদী খুব দ্রুত খুনিকে গ্রেপ্তার করে মূল রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হব।
*ইনসেটে ভিকটিম কিশোর শাহাদতের ছবি।