ক্রাইম ডেক্স ( দৈনিক জনতার দেশ): গত কিছুদিন ধরে নরসিংদী তে এলাকার ডিশলাইন অস্ত্র মাদক ব্যবসার আধিপত্য নিয়ন্ত্রন নিয়ে পরিকল্পিত খুন,ধর্ষণ,চুরি,ডাকাতি,ছিনতাই,রাহাজানি সহ আইন
শৃঙ্খলা পরিস্হিতির চরম অবনতি হওয়ায় প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায়
Rab-পুলিশ যৌথভাবে চিহ্নিত অপরাধী ধরতে মাঠে
নামে।প্রতিদিন পুলিশের তালিকাভুক্ত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী
ও মাদক ব্যবসায়ীদের ঠিকানায় এবং ডেরাতে অতর্কিত
অভিযান অব্যাহত থাকায় অপরাধীরা এখন সংঘবদ্ধ হয়ে
তাদের অপারেশন সাকসেস করতে পারছেনা। ইতোমধ্যে
অসংখ্য অপরাধী পাকড়াও হয়েছে। নরসিংদির বর্তমান
আইন শৃঙ্খলা পরিস্হিতি উন্নয়নে বিশেষ করে অপরাধীর
অভয়ারণ্য বলে খ্যাত বৃহৎ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত রায়পুরা
অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসে গেছে। জেলা পুলিশ সুপার
আব্দুল হান্নান,সহকারীপুলিশ সুপার রায়পুরা সার্কেল,
ওসি আদিল মাহমুদ ক্যাম্প ইনচার্জ rab নরসিংদী
সহ জেলা গোয়েন্দা শাখার পুলিশ সদস্যগণ এলাকায়
শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করছেন।গত ৮ জুলাই পুলিশের তালিকাভুক্ত রায়পুরার শীর্ষ সন্ত্রাসী অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী কিলার তৈয়ব
পিতা: সিরাজ মিলিটারির সেকেন্ড ইন কমাণ্ড মোবারক
পিতা: লালমিয়া সাং করিমগঞ্জ এর আস্তানায় অভিযান
চালিয়ে ভেলানগর জেলখানা নরসিংদী থেকে লুট হওয়া
পুলিশের ৪ টি ওয়াকিটকি সহ বেশ কিছু রামদা,চায়নিজ
কুড়াল,দা,ছুড়ি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। rab- পুলিশের এই যৌথ অভিযানে মোবারক সেদিন ধৃত না
হলেও আভিযানিক যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা গেছে
জেল খানা থেকে লুট হওয়া বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র
তৈয়ব- মোবারকের জিম্মায় আছে। ৩০ জুন দিবাগত
রাত আনুমানিক ১১টায় নরসিংদীর ব্রাহ্মন্দিতে রিজভী
নামের এক ডিশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও গুলি করে নৃশংস ভাবে খুন করে তৈয়ব,মোবারক,সাখাওয়াতগং।
এখানে উল্লেখ্য যে,তৈয়ব- সাখাওয়াত আপন সহোদর।
rab- পুলিশবাহিনীর সদস্যগণ কিলার তৈয়ব কে ধরতে
একজন টিকটকার মহিলা দিয়ে ফাঁদ পাতে।কিন্ত তাদের
ফাঁদে তৈয়ব ধরা না দিলে ও তৈয়বের আরেক সহযোগী
রাতুল ভুঁইয়া পিতা: রতন ভুইয়া গ্রাম: করিমগঞ্জ পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রায়পুরা থানা সূত্রের বরাত দিয়ে আমিরগঞ্জ পুলিশ
ফাঁড়ির ক্যাম্প ইনচার্জ জিল্লুর রহমান উপ- পরিদর্শক
(নিরস্ত্র)দৈনিক জনতার দেশ ক্রাইম ডেক্স কে জানান,
এ ব্যাপারে গত ৯ জুলাই রায়পুরা থানায় ১৯(F Arms Act) সহ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ৫৫ ধারা
সহ মোট ২ টি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
যাহার মামলা নং- ২২। এই কম্বাইন্ড অপারেশনে ক্যাম্প
ইন- চার্জ জিল্লুর রহমান ও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা
গেছে। এই যৌথ অপারেশনের অংশ হিসাবে আমিরগন্জ
ইউনিয়নের করিমগঞ্জ নয়াহাটি,রহিমাবাদ গ্রামে ও
গত পরশু দিন অভিযান চালানো হয়েছে বলে ক্যাম্প
ইনচার্জ জানান। তিনি আরো জানান নরসিংদীকে
মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত করে একটি সেইফ জোন হিসাবে
আখ্যায়িত করাই জেলা পুলিশ প্রশাসনের টার্গেট।
নরসিংদির জেলা প্রশাসক এবং এসপি স্যারের নির্দেশেই
আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
ধারাবাহিক চলবে—
তথ্যসূত্র:জেলা গোয়েন্দা পুলিশ
রায়পুরা থানা পুলিশ
আভিযানিক দল rab.