জামাল উদ্দিন খোকার নিজস্ব বক্তব্য:
আমি, মোঃ জামাল উদ্দিন খোকা, শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের কারার চর ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে পুটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নরসিংদীর বিশিষ্ট শিল্পপতি ও দানবীর আব্দুল কাদির মোল্লার প্রতিষ্ঠিত আদুরী গার্মেন্টসের পর থেকে আমি দীর্ঘ ২০-২৫ বছর ধরে বৈধভাবে ঝুট ব্যবসা করে আসছি। এ ব্যবসার মাধ্যমেই আমার পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হয়।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে সম্প্রতি কিছু কথিত সাংবাদিক এবং আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তারা রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে।
আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—
বিএনপি করার কারণে এখনো আমার নামে দুটি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। অথচ আমাকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে সাজানোর চেষ্টা চলছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও হাস্যকর।
আমার পরিবারে কেউ কখনো মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নয়, আমার ও ভাইদের নামে কোন মাদকের মামলা নেই। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, এর কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না।
স্থানীয় সিরাজ মোল্লার সাথে একটি ছবি ব্যবহার করে আমাকে আওয়ামী লীগ বানানোর প্রচেষ্টা বিভ্রান্তি ছড়ানো ছাড়া আর কিছু নয়।
আমার কোনো বিলাসবহুল বাড়ি বা গাড়ি নেই। ঝুট ব্যবসা করেই আমি আল্লাহর রহমতে পরিবার নিয়ে ভালোভাবে জীবনযাপন করছি। এ জীবিকার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে সর্বদা শুকরিয়া আদায় করি।
সম্প্রীতি আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর স্থানীয় বাদল মোল্লা ও শুটার মোবারক আমার ঝুট ব্যবসা দখলে নেওয়ার ষড়যন্ত্রে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে এবং কথিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই—আমার ঝুট ব্যবসা থেকে কোনো বিএনপি নেতা কখনো এক টাকাও নেননি।
আমি এসব অপপ্রচার, মিথ্যাচার এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসাথে আমি আশা করি—যারা এসব ভিত্তিহীন প্রচারণায় লিপ্ত, তাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।
মোঃ জামাল উদ্দিন খোকা
কারার চর ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে পুটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), শিবপুর, নরসিংদী।
বি.দ্র. দৈনিক জনতার দেশ কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত সংবাদ এবং সংক্ষুব্দ ব্যক্তির প্রতিবাদের ভাষ্য যাচাইয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে।