শিরোনাম :
দুই ভাই এক সংগে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে। ১১৪ পটুয়াখালী ৪ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য  এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভার সদস্য করার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ও সমকালীন রাজনৈতিক প্রসঙ্গ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে Alliance for Educational Society Development, Bangladesh এর স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকা। বাউফলে বিএনপি জামায়াতের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত প্রায় অর্ধশত। পাসপোর্টের জন্য পঙ্গু বিদেশিনিকে বিয়ে করা কি প্রতারণা? কলাপাড়ার উন্নয়নে ৩৭ দফা প্রস্তাবনা।   পায়রা বন্দরকে আরও আধুনিকায়ন করা হবে…মিট দ্যা প্রেসে কেন্দ্রীয় নেতা  এবিএম মোশাররফ হোসেন। নেত্রকোনা কেন্দুয়ায় ধানের শীষের পক্ষে মাঠে কেন্দ্রীয় নবীন দল। বাউল গানের বরেণ্য শিল্পী কেন্দুয়ার সুনীল কর্মকার চলে গেলেন পরপারে। ট্রেনে প্রতিনিয়ত অনিয়ম দুর্নীতির কারণে সরকার কে বছরে কোটি কোটি টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে—তারিকুল ইসলাম,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (বাঞ্ছারামপুর)।
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন

জাপান জাতির আত্মমনোবল ও স্বদেশ প্রেমের গল্প

Reporter Name / ৪০১ Time View
Update : শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

জনতার দেশ আন্তর্জাতিক ডেক্স:
দু:খ জনক হলেও চিরন্ত সত্য যে,

জাপান – একটি দেশ, যাকে দুটি পরমাণু বোমা ধ্বংস করেছিল।
কিন্তু তারা কখনও ভিক্ষা চায়নি। কখনও দয়া ভিক্ষা করে হাত পাতেনি।
নিজেদের আত্মসম্মান ও অটল ইচ্ছাশক্তি দিয়ে তারা আবার গড়ে তুলেছে নিজেদের।
আজও ইতিহাসে কোথাও নেই যে, জাপান আমেরিকার কাছে ভিক্ষা চেয়েছে।

একজন ভারতীয়, যিনি এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানে বাস করছিলেন, একটি অদ্ভুত ব্যাপার লক্ষ্য করলেন।
মানুষজন সদয়, ভদ্র, সাহায্যপ্রবণ।
কিন্তু একজনও তাকে বাড়িতে ডেকে এক কাপ চা খাওয়াল না।

তিনি অবাক ও কষ্ট পেলেন।
অবশেষে তিনি এক জাপানি বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলেন:
“কেন?”

দীর্ঘ নীরবতার পর জাপানি বন্ধু বললেন:
“আমরা ভারতীয় ইতিহাস পড়ি… অনুপ্রেরণার জন্য নয়, সতর্কবার্তা হিসেবে।”

ভারতীয় হতভম্ব হয়ে বললেন: “সতর্কবার্তা?”

জাপানি উত্তর দিলেন:
“তুমি জানো, কতজন ব্রিটিশ ভারতে শাসন করেছিল?”
তিনি একটু ভেবে বললেন: “হয়তো… ১০ হাজার?”
জাপানি গম্ভীরভাবে মাথা নাড়লেন।
“আর ভারতের জনসংখ্যা? ৩০ কোটির বেশি, তাই না?”

“তাহলে আসল শাসক কারা ছিল? কে তোমাদের মারল, শোষণ করল, গুলি চালাল? কেবল ব্রিটিশ নয়। তোমাদের নিজেদের মানুষ।”

“যখন জেনারেল ডায়ার চিৎকার করে বলল ‘ফায়ার’, তখন কারা ট্রিগার টিপেছিল? ব্রিটিশ নয় — ভারতীয় সৈন্যরা।
একজনও বন্দুক ফিরিয়ে অত্যাচারীর দিকে তাক করেনি।”

“দাসত্বের কথা বলছ? দাসত্ব ছিল দেহের নয়, আত্মার।”

জাপানি আবার বললেন:
“কতজন মোগল ভারতে এসেছিল? কয়েক হাজার মাত্র।
তবুও তারা শতাব্দীর পর শতাব্দী শাসন করেছে। সংখ্যার জোরে নয়, তোমাদের নিজেদের দাসত্বের কারণে।
বাঁচার জন্য… কিংবা রূপোর মুদ্রার জন্য, তোমরাই মাথা নোয়ালে।”

“তোমাদের নিজেদের মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছে।
নিজের ভাইরাই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
নিজেরাই তোমাদের বীরদের ধরিয়ে দিয়েছে।
চন্দ্রশেখর আজাদকে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছিল।
ভগত সিংকে ফাঁসি দেওয়া হল, অথচ তথাকথিত দেশপ্রেমিকদের মধ্যে একজনও এগিয়ে এল না।”

“তোমাদের শত্রুর দরকার নেই।
বারবার তোমাদের নিজেদের মানুষই বিক্রি করে দেয় ক্ষমতার জন্য, পদমর্যাদার জন্য, স্বার্থের জন্য।
এই কারণেই আমরা দূরত্ব বজায় রাখি।”

“যখন ব্রিটিশরা হংকং বা সিঙ্গাপুরে গিয়েছিল, স্থানীয়রা কখনও তাদের সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়নি।
কিন্তু ভারতে? তোমরা শত্রুর সেনায় যোগ দিয়েছিলে।
তাদের সেবা করেছিলে। তাদের পূজা করেছিলে।
নিজেদের মানুষ হত্যা করেছিলে তাদের খুশি করার জন্য।”

“আজও কিছু বদলায়নি।
একটু বিনামূল্যের বিদ্যুৎ, এক বোতল মদ, বা একটা কম্বলের জন্য—
তোমাদের ভোট, তোমাদের মন, তোমাদের কণ্ঠ বিক্রি হয়ে যায় পাইয়ে দেয়া রাজনীতির পায়ের তলায়।
তোমাদের আনুগত্য দেশের প্রতি নয়, পেটের প্রতি।”

“তোমরা স্লোগান দাও। মিছিলে হাঁটো।
কিন্তু যখন দেশ তোমাদের চরিত্র চায়, তখন কোথায় থাকো?
তোমাদের প্রথম আনুগত্য আজও পরিবার ও ব্যক্তিস্বার্থের প্রতি।
অন্য সব—সমাজ, ধর্ম, দেশ—বিলীন হতে পারে।”

শেষে তিনি বললেন:
“যদি দেশ শক্তিশালী না হয়, তোমার ঘরও নিরাপদ হবে না।
যদি চরিত্র দুর্বল হয়, কোনো পতাকাই তোমাকে রক্ষা করবে না।”

(কালেক্টেড নিউজ)
ছবি ক্রেডিট: ইন্টারনেট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category