শিরোনাম :
দুই ভাই এক সংগে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে। ১১৪ পটুয়াখালী ৪ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য  এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভার সদস্য করার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ও সমকালীন রাজনৈতিক প্রসঙ্গ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে Alliance for Educational Society Development, Bangladesh এর স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকা। বাউফলে বিএনপি জামায়াতের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত প্রায় অর্ধশত। পাসপোর্টের জন্য পঙ্গু বিদেশিনিকে বিয়ে করা কি প্রতারণা? কলাপাড়ার উন্নয়নে ৩৭ দফা প্রস্তাবনা।   পায়রা বন্দরকে আরও আধুনিকায়ন করা হবে…মিট দ্যা প্রেসে কেন্দ্রীয় নেতা  এবিএম মোশাররফ হোসেন। নেত্রকোনা কেন্দুয়ায় ধানের শীষের পক্ষে মাঠে কেন্দ্রীয় নবীন দল। বাউল গানের বরেণ্য শিল্পী কেন্দুয়ার সুনীল কর্মকার চলে গেলেন পরপারে। ট্রেনে প্রতিনিয়ত অনিয়ম দুর্নীতির কারণে সরকার কে বছরে কোটি কোটি টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে—তারিকুল ইসলাম,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (বাঞ্ছারামপুর)।
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন

জরাজীর্ণ ভবনে প্রাণভয়ে ক্লাস করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

 

মো.আরিফুল ইসলাম, বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর বাউফলের চর রায় সাহেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিগত ২৫ বছরেও সংস্কার না হওয়ায় এখন মৃত্যু পরিণত হয়েছে। জরাজীর্ণ ভবনের নিচে প্রতিদিন প্রাণভয়ে ক্লাস করছে ১৯২ কোমলমতি শিক্ষার্থী।

উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ২৩০ নং চর রায়ে সাহেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে এবং ২০০০ সালে নির্মিত হয় চার কক্ষের একতলা ভবন। দীর্ঘ দুই যুগে কোনো সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় ভবনের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভবনের দেয়ালজুড়ে বিস্তীর্ণ ফাটল, ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে টুকরো টুকরো করে, বিভিন্ন স্থানে বেরিয়ে এসেছে মরিচাধরা রড। সামান্য নড়াচড়ায় পুরো ভবন দুলে ওঠে, শ্রেণিকক্ষের দরজায় ধাক্কা লাগলেই দোদুল্যমান হয়। বর্ষায় ছাদ চুয়ে পানি পড়ে বই-খাতা ভিজে যায়, হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে বিদ্যালয় মাঠেও চলাচল করা যায় না।

শিক্ষার্থী সাইমুন ও লামিম জানায়, আমরা সবসময় ভয় পাই, কখন ছাদের প্লাস্টার মাথায় পড়ে যায়।

সহকারী শিক্ষক রিফাত মীন বলেন, দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে, ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে। শিক্ষার্থীদের নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই ক্লাস নিতে হয়।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জানান, বর্ষাকালে ক্লাসরুমে পানি জমে গেলে পাঠদান প্রায় অচল হয়ে পড়ে।

অভিভাবকদের ভাষায়, সন্তানদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠানো মানেই প্রতিনিয়ত প্রাণ হাতে নিয়ে স্কুলে পাঠানো। তাই দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানান তারা।

প্রধান শিক্ষিকা কলি আক্তার বলেন, বিদ্যালয়ের নাজুক অবস্থা সম্পর্কে ইতোমধ্যে উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। বড় ধরনের মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কালাম হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবনের প্রস্তাব শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসেই নতুন ভবনের কাজ শুরু হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category