শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন

জঙ্গি তকমায় মেজর জাহিদ কে গুলি করে নৃশংস হত্যার নেপথ্য কাহিনি।

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬

তৌহিদুল ইসলাম রিয়াজ:

নিজেদের ভাইদের এভাবে নৃশংস হত্যাকান্ডে প্রতিবাদী চৌকস ও মেধাবী সেনা অফিসার “মেজর জাহিদ”হত্যা একটা সিনেমাকেও হার মানায়। জঙ্গি সাজিয়ে তাকে ঢেকে নিয়ে, নিজ বাসার নিচেই খুব কাছ থেকে গুলি করে নৃশংসভাবে মারা হয়।

বিডিআর হত্যাকান্ডে ভারতীয় সংশ্লিষ্টটা জানার অপরাধে, ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর নিজ বাসা থেকে স্ত্রী সন্তানদের কাছ থেকে ঢেকে নিয়ে যায়! কথা আছে বলে। তারপর সরাসরি গুলি করে হত্যা করা হয় মেজর জাহিদ কে।

আর মেজর জাহিদের স্ত্রীকেও জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা দেখিয়ে দেখানো হয় উদ্ধার। তার স্ত্রী সন্তানের উপর নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন তাদের চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত স্থানে।

আর তার স্ত্রীর কাছ থেকে জোর পূর্বক তার স্বামী জঙ্গি স্বীকৃতি নেওয়ার চেষ্টা করে তারা।  বলে একথা না বললে তাকেও তার স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এমন কথা শুনে জেবুন্নাহার বুঝতে পারেন তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।

২০০৯ সালে পিলখানার ঘটনায় মেজর জাহিদের এক বন্ধু ক্যাপ্টেন মাজহারুল তাকে ফোন দিয়ে বলেন আমাদের সব অফিসারদের মেরে ফেলছে। কারা মেরেছে জানতে চাইলে ক্যাপ্টেন মাজহার জানান কিছু হিন্দিভাষী তারা বিডিআরের পোশাক পরা ছিল, এদের কখনো পিলখানায় দেখেনি!

তখন মেজর জাহিদ বগুড়া ক্যান্টনমেন্টে ছিলেন, তিনি বিষয়টি বগুড়া ক্যান্টনমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান এবং তিনি প্রতিবাদ করেন পিলখানা হত্যাকান্ডের। আর তারপর পিলখানা হত্যাকান্ডের তদন্ত আর চাটুকার অযোগ্য অফিসারদের পদোন্নতি মেনে নিতে না পেরে তিনি ২০১৫ সালে চাকরি ছেড়ে পরিবারের সাথে থাকতে শুরু করেন।

চাকরি ছাড়ার পর থেকেই ছিলেন গোয়েন্দা নজরদারি তে, কারন পিলখানা রঙচটা তথ্যের আড়ালের খবর তিনি জানতেন। ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাত ১১ টার দিকে নির্মমভাবে তার বাসার নিচে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়। তার স্ত্রী সন্তান কে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত স্থানে।

স্ত্রীকেও জঙ্গি মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল দীর্ঘ ৪ মাস ৭ দিন গুম রাখা হয়েছিল, তার সাথে ছিল তার ২ শিশু কন্যাও। তার স্বামী জঙ্গি এমন স্বীকারোক্তি দেওয়ার জন্য তার উপর নেমে আসে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন। এভাবে গুম রাখার পর উদ্ধারের নাটক
সাজানো হয়।

এর ১৬ দিন পর তাকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠিয়ে জেবুন্নাহারের বিরুদ্ধে দেওয়া হয় দুটি জঙ্গি মামলাও। দীর্ঘ চার বছর কারাবরণের পর মুক্তি পেলেও তার দুই বছর পর ফের কারাগারে পাঠানো হয় স্বামী হত্যার বিচার চাওয়ার একটিভিটি দেখে। ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট জামিনে মুক্তি পান জেবুন্নাহার,রএখন চাচ্ছেন স্বামী হত্যার সুষ্ঠু বিচার।
তথ্যসূত্র:

Touhidul Islam Riaz এর পেজবুক পোস্ট থেকে সংগৃহিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category