শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

খালেদা জিয়ার জানাজায় এসেও রক্ষা পেলেন না বৃদ্ধ! ‘আওয়ামী লীগ’ সন্দেহে বিএনপি সন্ত্রাসীদের পিটুনিতে মর্মান্তিক মৃত্যু

Reporter Name / ৪৮ Time View
Update : বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

  • স্টাফরিপোর্টার :

খালেদা জিয়ার জানাজার মতো ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানকেও কলঙ্কিত করল একদল উশৃঙ্খল জনতা। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জঘন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে জানাজায় অংশ নিতে আসা এক নিরপরাধ বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। নিছক ‘আওয়ামী লীগ’ করে—এমন সন্দেহের বশবর্তী হয়ে শোকের পরিবেশকে তারা মুহূর্তেই পরিণত করে রক্তের হোলিখেলায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জানাজার নামাজে শরিক হতে ওই বৃদ্ধ ভিড়ের মধ্যে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই বিএনপির একদল কর্মী-সমর্থক তাকে ঘিরে ধরে এবং ‘আওয়ামী লীগার’ আখ্যা দিয়ে অকথ্য গালিগালাজ শুরু করে। কোনো কথাবার্তা বা যাচাই-বাছাই ছাড়াই সন্ত্রাসীরা ওই বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বাঁচার জন্য বৃদ্ধ আকুতি জানালেও বিএনপির উত্তেজিত কর্মীরা তাকে পশুর মতো পেটাতে থাকে। কিল, ঘুষি আর লাথির আঘাতে শেষ পর্যন্ত জানাজার মাঠেই করুণ মৃত্যু হয় তার।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীরা কতটা অমানবিক হলে জানাজার মতো পবিত্র জায়গায় এমন পৈশাচিকতা চালাতে পারে? যেখানে মানুষ আসে দোয়া করতে, সেখানে প্রতিপক্ষ সন্দেহে একজন বৃদ্ধকে পিটিয়ে মেরে ফেলা কি সুস্থ রাজনীতির পরিচয়?

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হত্যাকাণ্ড বিএনপির রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা ও সন্ত্রাসী মানসিকতার চরম বহিঃপ্রকাশ। ধর্মীয় অনুভূতির তোয়াক্কা না করে জানাজার ময়দানকে যারা বধ্যভূমি বানাতে পারে, তাদের কাছে সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা কতটুকু—তা এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। শোকের দিনে এমন নৃশংসতা মানবিকতার চরম পরাজয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category