শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন

কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক ২ মাস ধরে উধাও, ব্যহত হচ্ছে জরুরী রোগীর চিকিৎসা সেবা

Reporter Name / ২৪৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫

রাখাল বিশ্বাস:

: নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক বাবুল মিয়া ২ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় হাসপাতালের জরুরি রোগীদের সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে বলে রোগী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।কেন্দুয়া উপজেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১১ মে থেকে অ্যাম্বুলেন্স চালক বাবুল মিয়া নিজ কর্মস্থল কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনা ছুটিতে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কয়েক দফায় চিঠি পাঠিয়েও তার কোনো খোঁজ খবর পাননি। এমনকি তার বাড়িতে লোক পাঠিয়ে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেও কোনো তথ্য মেলেনি। হাসপাতাল সূত্র আরও জানায়,চালক বাবুল মিয়ার সার্ভিস রেকর্ড পর্যালোচনা করে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করে আসছিলেন। তার আচার-আচরণ ও চলাফেরা সম্পর্কেও অসন্তোষ ছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষসহ আশপাশের মানুষের মধ্যে। যা সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি ২০১৮ এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৯–এর পরিপন্থী। এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কৈফিয়ত তলব করে ৫ দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু ৫৪ দিন পার হলেও তিনি কর্মস্থলে ফেরেন নি, কোন ব্যাখ্যাও দেননি।
এ বিষয়ে বুধবার (২ জুলাই) কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. নাঈম হাসান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, গত ১১ মে থেকে চালক বাবুল মিয়া কর্মস্থলে আসেন নি। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জবাব না পাওয়ায় তার বাড়িতে লোক পাঠিয়ে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে মৌখিক ও লিখিত ভাবেও জানানো হয়েছে, তার বেতন ভাতাদিও বন্ধ রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ্যাম্বুলেন্স চালক বাবুল মিয়ার বিরোদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
প্রতিবেদক:লোক সাহিত্য সংগ্রাহক,নাট্যকার,বহুগ্রন্হ প্রণেতা ও সিনিয়র সাংবাদিক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category