শিরোনাম :
দুই ভাই এক সংগে এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে। ১১৪ পটুয়াখালী ৪ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য  এবিএম মোশাররফ হোসেনকে মন্ত্রিসভার সদস্য করার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ও সমকালীন রাজনৈতিক প্রসঙ্গ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে Alliance for Educational Society Development, Bangladesh এর স্বেচ্ছাসেবী ভূমিকা। বাউফলে বিএনপি জামায়াতের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত প্রায় অর্ধশত। পাসপোর্টের জন্য পঙ্গু বিদেশিনিকে বিয়ে করা কি প্রতারণা? কলাপাড়ার উন্নয়নে ৩৭ দফা প্রস্তাবনা।   পায়রা বন্দরকে আরও আধুনিকায়ন করা হবে…মিট দ্যা প্রেসে কেন্দ্রীয় নেতা  এবিএম মোশাররফ হোসেন। নেত্রকোনা কেন্দুয়ায় ধানের শীষের পক্ষে মাঠে কেন্দ্রীয় নবীন দল। বাউল গানের বরেণ্য শিল্পী কেন্দুয়ার সুনীল কর্মকার চলে গেলেন পরপারে। ট্রেনে প্রতিনিয়ত অনিয়ম দুর্নীতির কারণে সরকার কে বছরে কোটি কোটি টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে—তারিকুল ইসলাম,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (বাঞ্ছারামপুর)।
সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন

কেন্দুয়াতে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, নারী ও শিশুসহ আহত ১২।

Reporter Name / ৪৯ Time View
Update : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

কেন্দুয়া থেকে শাহ আলী তৌফিক রিপন:
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জমি সংক্রান্ত পূর্বশত্রুতার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গাড়াউন্দ গ্রামের হাওর এলাকায় ঘটে।
আহতদের মধ্যে গুরুতর জখমী মো. জব্বার মিয়া, আজিজুল, টিপু, এরশাদ, জাহিদুল, স্বপন, খোকন, হায়াত ও সালামকে স্থানীয়রা পুলিশের সহায়তায় নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে। আহতদের মধ্যে এক শিশু ও দুই নারী রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৮ শতক কৃষিজমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। আহত জব্বার মিয়ার মা কয়েক বছর আগে ওই জমি বান্দনাল গ্রামের শহিদ মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে শহিদ মিয়া জমিটি গাড়াউন্দ গ্রামের হায়াত মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। তবে একপর্যায়ে জমিটির রেকর্ড জব্বার মিয়া ও শুক্কুর আলীর নামে হয়ে যায়।
শুক্কুর আলী তার অংশের ১৪ শতক জমি শহিদ মিয়াকে কাওলা করে দিলেও জব্বার মিয়া পুরো ২৮ শতক জমির মালিকানা দাবি করে শহিদ মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলাটি এখনো বিচারাধীন থাকলেও শহিদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে জমিটি ভোগদখল করে আসছিলেন।
ঘটনার দিন শহিদ মিয়া জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ করতে গেলে জব্বার মিয়া বাধা দেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মিহির রঞ্জন জানান, “মারামারির খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category