মাহবুবুর রহমান খান:মাত্র একদিনের ব্যবধানে এই জঘন্য তম ঘটনার বিস্তৃতি। চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ায়
এই দুই সাংবাদিকের ওপর নেমে আসে নৃশংসতাতার স্টিম রুলার।আমাদের দৈনিক জনতার দেশ পত্রিকার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধির পাঠানো এক তথ্যে জানা গেছে,ফুটপাত থেকে একটি চাঁদাবাজ চক্র দৈনিক চাঁদা
উত্তোলন করায় এটার প্রতিবাদে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি,আনোয়ার হোসেন
পত্রিকায় চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় তারা তাঁর
প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে জানে মেরে ফেলতে রাস্তায় ফেলে
বেদড়ক পিটুনি দিয়ে ইট দিয়ে মাথা শরীর থেঁতলে নিশ্চিত মৃত্যু ভেবে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায়।
ভাগ্য আনোয়ার প্রাণে বেঁচে গেলেও এখনো হাসপাতালে
মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। অলৌকিক ভাবে সে প্রাণে বেঁচে
গেলেও পঙ্গুত্ব বরণ করেই বাকি জীবন কাটাতে হবে বলে
সাংবাদিক মহল সূত্রে জানা গেছে। এই ঘটনার রেষ কাটতে না কাটতে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে এই এলাকাতেই সংঘটিত হয় আরেকটি লোমহর্ষক ঘটনা।
আমাদের প্রতিনিধি সূত্রে জানা গেছে,গত বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫ খ্রী: গাজীপুরে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিন গাজীপুরের চিহ্নিত চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের বেপরোয়া চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লাইভ ভিডিও করায় ওই সন্ত্রাসী
চাঁদাবাজ চক্রটি তুহিন ধরে প্রথমে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে
রক্তাক্ত জখম করার পরও তার প্রাণবায়ু নির্গত না হওয়ায় তাকে গ*লা কে*টে জ*বাই করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুষ্কৃতকারীরা। এই বর্বরোচিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার পাশাপাশি ঘটনার সাথে জড়িত দায়ী ও দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কঠোরতম
শাস্তি নিশ্চিত করত:সকল সাংবাদিক সমাজ, সাংবাদিক
ও মানবাধিকার সংগঠন গুলোর প্রতি একাত্বতা সংহতি
প্রকাশ করেছে জনতার দেশ পরিবার।
উপস্হিত প্রত্যক্ষদর্শী ও গাজীপুর প্রেস ক্লাবের তথ্য
সূত্রে জানা গেছে উল্লেখিত দুটি ঘটনাই নিকটবর্তী থানার
সামনে ঘটেছে।এমন কি আনোয়ার হোসেন তুহিন কে
জবাই করার সময় অদূরেই পুলিশের উপস্থিতি থাকা সত্বেও তারা এগিয়ে এসে কোন প্রতিরোধ করেনি।
সেদিন যদি পুলিশ তুহিন কে প্রটেকশন দিতো তাহলে
হয়তো ঘটনা অন্যদিকে মোড় নিতো তুহিন প্রাণেও বেঁচে
যেতো। পুলিশের এমন নিরব ভূমিকায় হতাশ দেশের
গোটা সাংবাদিক সমাজ। জনগণের জান মালের নিরাপত্তার দায়িত্ব কার? পুলিশের দায়িত্ব কি শুধু রাষ্ট্রীয়
সম্পদ রক্ষা করা?আমাদের ট্যাক্স- রেমিটেন্সের টাকায়
প্রতিপালিত পুলিশ বাহিনী এমন কি প্রজাতন্ত্রের সকল
কর্মকর্তা- কর্মচারী। বিশেষ করে কোন দুর্ঘটনা-দুর্বিপাকে
পুলিশের প্রতি আমাদের আস্হা সম্মান অনেক বেশি।
যে কোন বৈরি পরিস্থিতিতে পুলিশ আমাদের রক্ষাকর্তা
হয়ে আমাদেন জীবন বাঁচাবে। কিন্ত বাস্তবে তার প্রতিফলন না হওয়ায় পুলিশের প্রতি ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।
পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্হা ও সম্মান বাড়াতে
হলে নিজেদের দায়িত্ব বোধ কে আরো প্রশমিত করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই।বিগত দিনের ঘটনা থেকে আমাদের পুলিশ ভাইদের শিক্ষা নিতে হবে।
পুলিশ ভাইদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, আপনারা
কোন সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের সাথে সখ্যতা না গড়ে
নিরীহ সাধারণ জনগণের সাথে মেল বন্ধন তৈরি করুন
তাদের প্রতি আপনাদের আস্হা দায়িত্ব বোধ কে আরো
বাড়িয়ে তুলুন।প্রমাণ করুন পুলিশ জনতা ভাই ভাই
তার ওপর কেউ নাই। পুলিশ জনতার মধ্যে যতদিন না
Relation Build up না হবে ততদিন পুলিশ কে
সাধারণ মানুষ ঘৃণার চোখেই দেখবে।অতীত তার
বাস্তব প্রমান। প্রিয় পুলিশ ভাইয়েরা,আমরা সাংবাদিক সমাজ আপনাদের শত্রু নই।আমরা নিজেদের দায়িত্ব বোধ
থেকে একে অপরের পরিপূরক। সমাজ ও দেশের শত্রু দের প্রশ্রয় দিয়ে তাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে নিজেদের দায়িত্ব বোধ কে সস্তা পণ্য মনে করলে প্রতিপক্ষ আমাদের কে বস্তায় ভরে ডাস্টবিনে
ফেলে দেবে এতে কোন সন্দেহ নেই।
প্রতিবেদক:
সম্পাদক- প্রকাশক
দৈনিক জনতার দেশ
ও জনতার দেশ টিভি।