মহানগরপ্রতিনিধি:
ঘটনার দুই দিন পর, আজ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে সেই বি’ভৎস ভিডিও— যেখানে স্পষ্ট দেখা যায়, কীভাবে এক নিরস্ত্র শ্রমজীবী মানুষকে নি’র্ম’মভাবে মে’রে ফেলা হয়েছে। সোহাগ কোনো সন্ত্রাসী ছিল না। ছিল না কোনো অপরাধী। সে ছিল একজন সাধারণ ভাঙারী ব্যবসায়ী, যার একমাত্র অপরাধ- সে রাজনৈতিক সন্ত্রা*সীদের চাঁদা দিতে অস্বীকার করেছিল!
আচ্ছা, এইটাই কি আজকের নতুন বাংলাদেশে মৃ’ত্যুদ’ণ্ড যোগ্য অপরাধ? এই জন্যই কি জুলাই আন্দোলনে র’ক্ত দিয়ে ছাত্র-জনতা র’ক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদ বিতারিত করেছিল? সরকার এই হ’ত্যার বিচার করবে কি? নাকি চাঁদাবাজদের হাতে সোহাগের মতো আরও অনেক জীবন রাষ্ট্রের নির্বাক নিরবতা ও নিঃশব্দে হারিয়ে যাবে?এ কেমন বীভৎসতা!সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা আজ কোথায় ঠেকেছে?রাজনৈতিক নেতাদের চাঁদা দিতে অস্বীকার করলেই নির্ঘাত খুন। শত শত
জনতার সন্মুখে এই পৈশাচিক ঘটনাটি ঘটলেও কেউ
সোহাগ কে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি।সাধারণ খেটে খাওয়া
মানুষের জিবনের নিরাপত্তা আজ কোথায়?এর দায়ভার
কে নেবে? জাতির বিবেকের আজ একটিই প্রশ্ন এই
দায়ভার কে নেবে?কোন রাজনৈতিক দল নাকি সরকার?