শিরোনাম :
আহমদ ছফার বিয়ে ও শামীম শিকদার প্রসঙ্গ। যত চাপই আসুক ব্রিটেন কে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে নেয়া যাবেনা —- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একটি শিক্ষনীয় গল্প এবং আমাদের মানবিক চরিত্র। ৯ম পদাতিক ডিভিশনের নিষ্ক্রিয়তা: ৪ আগস্টের রহস্য ঘিরে নতুন প্রশ্ন। আধুনিক বিকৃত ইসলাম এবং মদিনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষা কারিকুলাম। জন দুর্ভোগের সূতিকাগার নরসিংদী পৌরসভা হরমুজ প্রণালী কে ইস্যু করে তেহরানের নতুন পরিকল্পনা ৩ শ্রেণীতে বিভক্ত দেশ। কূয়াকাটায় ছাত্র হিযবুল্লাহর উদ্যোগে দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ। শান্তি চুক্তি ভেস্তে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তৈরির আশঙ্কা, নিজ নিজ শর্তে ই*রান- আ*ম্রিকা দু’পক্ষই ছাড় দিতে নারাজ, সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি কোন পক্ষ। কুরআনের অপব্যাখ্যার অজুহাতে কুষ্টিয়ায় কথিত পীর শামীম রেজা ওরফে জাহাঙ্গীর কে পিটিয়ে হত্যার নেপথ্য কাহিনি।
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪২ পূর্বাহ্ন

এক প্রতিবাদী নারীর নাম দস্যুরানী ফুলন দেবী।

Reporter Name / ৫০ Time View
Update : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

পাঁপড়ি রাউত:
দস্যু রাণী ফুলন দেবী ডাকাত সর্দার থেকে হয়েছিলেন ভারতের এমপি। ফুলন দেবীকে একবার ইন্টারভিউয়ে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো,আরেকবার জন্ম নিলে কি হতে চান?উত্তরে তিনি বলেন আর যাই হোক নারী হয়ে জন্মাতে চাই না।
ফুলন দেবী জন্মেছিলেন এক দলিত পরিবারে।অল্প বয়সে তাকে বিয়ে দেয়া হয়।মদ্যপ স্বামী এবং শ্বশুর বাড়ির অত্যাচার নীরবে না সয়ে প্রতিবাদ করে সেখান থেকে বের হয়ে আসেন।বরাবরই ছিলেন প্রতিবাদী নারী।নিজের বাবার সম্পত্তি বাঁচাতে ঠাকুরদের সাথে বিবাদে জড়ান।এক পর্যায়ে ঠাকুরদের একদল তাকে উঠিয়ে নিয়ে ২৩ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে।
ছাড়া পেয়ে তিনি মুখ লুকান নি।পালিয়ে যান নি।ডাকাত দলে যোগ দেন।সেখানকার এক স্নেহভাজন তাকে ট্রেনিং দেন।নির্যাতিত হওয়ার দেড় বছর পর শ্রীরাম, লালা সহ বাকীদের খোঁজ পান।এবং ১৯৮১ সালে এক বিয়ে বাড়িতে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে তার ধর্ষকদের গুলি করে তিনি মেরে ফেলেন।
ডাকাতি পাশাপাশি সমাজসেবা করতেন।ডাকাতির মালামাল গরীবদের দিয়ে দিতেন ফুলন।ধীরে ধীরে ফুলন দেবী পুলিশের কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়।তাকে কোন ভাবেই ধরতে না পেরে আলোচনায় আসেন পুলিশবাহিনী।
আত্মসমর্পণে ফুলন শর্ত দেন তাদের দলের কাউকে ফাঁসি দেয়া যাবে না।কম সাজা দিতে হবে,তার ভাইয়ের চাকরী এবং মা বাবাকে ভালো জীবন নিশ্চিত করতে হবে।মোটামুটি শর্ত মানার পর ফুলন দেবী আত্মসমর্পণ করেন।

১১ বছর জেল খেটে বের হন।এরপর ১৯৯৬ সালে সমাজবাদী পার্টিতে যোগ দেন।দুবার পরপর এমপি নির্বাচিত হন।মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত ছিলেন সংসদ সদস্য।
তাকে নিয়ে অনেক বই এবং সিনেমা আছে।সবচেয়ে জনপ্রিয় শেখর কাপুর পরিচালিত দা ব্যান্ডিট কুইন।সমাজের কারো চোখে ফুলন ভালো,কারো চোখে অপরাধী। তবে ইতিহাসের পাতায় লড়াকু এবং সাহসী নারী হিসেবে ফুলন দেবী আজীবন রয়ে যাবেন।
তথ্যসূত্র:
পাঁপড়ি রাউতের আইডি থেকে কপি পেস্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category