শিরোনাম :
বাউফলে গণকবরস্থানে চাঁদা চেয়ে হামলা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবীর অভিযোগ। সাবেক ডিজিএফআই এর মহাপরিচালক জেনারেল আকবর এবং এস এসএফ প্রধান লে. জেনারেল মুজিবুর রহমান এখন ভারতে মোদির আশ্রয়ে। জিয়া পরিবারের চার দশকের ঠিকানা হারানোর পেছনে তৎকালীন সেনাপ্রধান মুবীন। আজ ১২ জানুয়ারি বিপ্লবী যোদ্ধা মাস্টার দা সূর্য সেন এর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী। ইমাম খোমেনি ও আমেরিকার গুঁটিচাল। সম্রাট বাবরের পরাজয় এবং শানে শাহ ওবায়দুল্লাহ আহরার (রহঃ)। এক যে ছিল নেতা–দেবারতী মুখোপাধ্যায়। রাজনীতির রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান। ভোলায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। গ্যাস সংকটে জ্বলছে না চুলা।  সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি ভোক্তাগণ।  এটি ভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি প্রতারণা —-ক্যাব সভাপতি। 
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন

একজন মমতাময়ী মা আজ মহাকালের অনন্ত পথে যাত্রা করলেন।

Reporter Name / ৪৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

মো: ওয়ালি উল্লাহ:
দল-মত, ধর্ম-বর্ণ, জাতি-গোষ্ঠী, ধনী-গরিব নির্বিশেষে সকলের কাছে সমাদৃত একজন সাচ্চা দেশপ্রেমিক নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। এদেশের শিক্ষিত, বুদ্ধিজীবী , আলেম-উলামা, কৃষক, শ্রমিক, তাঁতী মুজুরসহ সকল শ্রেণি-পেশা ও সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের আস্থা ও নিরাপদ আশ্রয়ের এক অবিস্মরণীয় নেতৃত্বের প্রতীক ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।
আবালবৃদ্ধ থেকে শুরু করে কোলের শিশু পর্যন্ত তাঁর মমত্ববোধের ফ্লেভার বুঝতে ভুল করেনি।
২০১৮ সালে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে দেখেছি কীভাবে একটি কোলের শিশু বেগম জিয়ার মমতায় সিক্ত হয়েছিল।
যতবার তিনি যে কয়টি আসন থেকে নির্বাচন করেছেন, কোনোটিতেই তিনি হারেননি।
মানুষ তাঁকে আপন করে নিয়েছিল নিজ পরিবারের একজন সদস্যের ন্যায়।
যেমনিভাব তিনি ভালোবাসার প্রতীক ও মমত্ববোধের আধার ছিললেন, তেমনিভাবে তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে একজন ইস্পাত কঠিন বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন।
যার কিছুটা প্রমাণ তিনি ২০০১ সালে ক্ষমতায় যাওয়ার পর অপারেশন ক্লিনহার্ট পরিচালনার মাধ্যমে দিয়েছিলেন।
নিজ দলের ক্যাডার চট্টগ্রামের জানেআলম, নারায়ণগঞ্জের ডেভিডসহ অসংখ্য নিজ দলীয় সন্ত্রাসীদেরকেও তিনি ছাড় দেননি।
মরহুম নাসিরউদ্দিন পিন্টুকেও জেলে যেতে হয়েছিল দল ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে।
সেইসময় দেশ নেত্রীর কঠোর ব্যবস্থার ফলে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজরা দিশেহারা হয়ে পড়েছিল।
ঢাকার মসজিদগুলোতে তখন জায়গা হতো না।
তাঁর এ আপোষহীন মনোভাবের জন্য তাঁকে জীবনে অনেক জুলুম-নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হতে হয়েছে।
শত ভালো কাজ ও সফলতার পাশাপাশি মানুষ হিসেবে তাঁর কিছু ব্যর্থতা, অসম্পূর্ণতা ও মানবীয় দোষত্রুটি থাকাটা খুবই স্বাভাবিক।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাঁর সকল ভালো কাজগুলো অনুসরণ করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গড়ার তাওফিক দান করুন এবং প্রিয় নেত্রীকে মহান আল্লাহ তাঁর সব মানবীয় দোষত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category