ক্রাইম রিপোর্টারঃ
নরসিংদী ১৪ নভেম্বর ২০২৫:
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে (এএসআই) কু/পিয়ে তার মোটরসাইকেল, নগদ টাকা ও সরকারি পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নিয়েছে দু/র্বৃত্তরা। ১লা নভেম্বর শনিবার গভীর রাতে উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের পাঁচরুখী হাজী সাহেব আলী ফকির উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
আ/হত এএসআই (নিঃ) মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বর্তমানে র্যাব, সিপিএসসি নরসিংদী ক্যাম্পে কর্মরত । তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার বৈরটিপাড়া গ্রামের মৃ/ত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে।
এজাহারে বিল্লাল হোসেন জানান, তিনি ব্যক্তিগত কাজে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। ৩১ অক্টোবর এক দিনের নৈমিত্তিক ছুটিতে ঢাকায় আসেন। পরদিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে কর্তৃপক্ষের জরুরি ডাকে তিনি নিজ কর্মস্থলে ফেরার পথে আড়াইহাজারের পাঁচরুখী এলাকায় পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলে আসা তিনজন দু/র্বৃত্ত তার পথরোধ করে।
তিনি মোটরসাইকেল থামানোর সঙ্গে সঙ্গেই দু/র্বৃত্ত/রা ধারালো অ/স্ত্র দিয়ে তার বাম পা ও কোমরের নিচের অংশে কু/পিয়ে জ/খম করে। পরে তারা তাকে হ/ত্যার হু/মকি দিয়ে তার লাল রঙের ইয়ামাহা মোটরসাইকেল (রেজি. নং ঢাকা মেট্রো-ল-৫৯-১২৭৪), সঙ্গে থাকা তিনটি সিমকার্ড সংযুক্ত মোবাইল ফোন, নগদ ১৫ হাজার টাকা, পুলিশ আইডি কার্ড ও র্যাব আইডি কার্ড ছিনিয়ে নেয়।
দু/র্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে গাউছিয়ার দিকে পা/লিয়ে যায়। তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এবং তারা নারায়ণগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলছিল বলে এএসআই বিল্লাল হোসেন জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পর শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক পরামর্শের কারণে থানায় এজাহার দায়ের করতে কিছুটা বিলম্ব হয়।
এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রে/ফতার বা লু/ণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতিও পাওয়া যায়নি বলে সূত্রে জানা গেছে।
ভিকটিম এএসআই বিল্লাল হোসেন বলেন, “মামলার আসামিদের গ্রে/ফতারে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, তা আমি জানি না।”মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রে/ফতারে পুলিশ কাজ করছে।”
তথ্যসূত্র ও ছবি ক্রেডিট: kazi tv,নরসিংদী।