কামরুল হাসান ভূঁইয়াঃ
নেত্রকোনা জেলার দশটি উপজেলা
ছিয়াশিটি ইউনিয়ন, পাঁচটি পৌরসভা
প্রস্তত রয়েছে লকডাউন কর্মসূচী সফল করার জন্য।
ইতিমধ্যে প্রবল ব্যারিকেড অতিক্রম করে প্রস্ততি নিয়ে ঢাকা অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে। অঘোষিত যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। সবার কন্ঠে এক ও অভিন্ন স্লোগান,
যায় যাবে যাক প্রাণ, যুদ্ধে এসো বীরজোয়ান।
নেত্রকোণা, কেন্দুয়া, আটপাড়া, মোহনগন্জ, মদন, বারহাট্রা
খালিয়াজুরী, পুর্বধলা, দূর্গাপুর, কলমাকান্দা প্রতিটি
উপজেলার তৃণমুল কর্মীরা বুকে অদম্য দুর্বার সাহস নিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে ছুটে যাচ্ছে রাজধানীর বুকে। প্রতিবাদ
প্রতিরোধের বীজমন্ত্রে উজ্জীবিত আজ মুজিব অন্তপ্রাণ
কর্মীরা। সবার চোখেমুখে যেন অগ্নিবাণ। অপ্রতিরোধ্য শক্তি
নিয়ে মাঠে নামবে এবার বীরদর্পে।
প্রতিটি গ্রাম পাড়া মহল্লাতেও চলছে নিজস্ব প্রস্ততি।
সারাদেশ আজ অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। এই আন্দোলনের
ব্যাপকতা ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্রই। যার যেখানে সুযোগ
থাকবে সেখানেই প্রতিরোধের দেয়াল গড়ে তুলবেন। জেল
জুলুম হুলিয়া সকল কিছু উপেক্ষা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সকলে
নেমে আসুন রাজপথে। রাজপথই আমাদের মুক্তির নিশানা। রাজপথেই বিনির্মান হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমৃদ্ধ বাংলা
দেশ। ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় শাণিত চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে
সংগ্রামী কাফেলায় যুক্ত হোন সকলে। ছাত্রলীগ ভ্যানগার্ড
হিসেবে থাকবে অগ্রভাগে, যুবলীগের সুদক্ষ কৌশল বুদ্ধি
মত্তায় রণাঙ্গন হবে শত্রুমুক্ত।
বিজয় আমাদের অনিবার্য।
বি.দ্র.লেখক,কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক।